০১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে? ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত? জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭০)

হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি।

রবার্ট হোম (১৭৫২-১৮৩৪) ছিলেন ব্রায়ান হোমের পুত্র। তার বাবা ছিলেন শৈল্য চিকিৎসক। জন্ম তার ইংল্যান্ডে হাল-এ)। অ্যাঞ্জেলিকা কাউফম্যানের অধীনে তিনি চিত্রবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। এরপর ইতালি [১৭৭৩-৭৮) ও ডাবলিনে [১৭৮৩-৮৯) পেশাদার চিত্রশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। খুব সম্ভব, সুবিধা করতে পারেননি।

তাই রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশে ১৭৯০ সালে। প্রথমে পা রাখেন মাদ্রাজে, লর্ড কর্ণওয়ালিস যুদ্ধ করলে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন। সেখানে আঁকা তাঁর চিত্রাবলি নিয়ে লন্ডন থেকে ১৭৯৪ সালে প্রকাশিত হয়- সিদ্ধে ভিউজ ইন মাইশোর, দ্য কান্ট্রি অব টিপু সুলতান ১৭৯৫ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজে ছিলেন তারপর সঙ্গে আসেন কলকাতা। ১৭৯৫-১৮১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতায়। সেখান থেকে চলে যান অযোধ্যার রাজদরবারে প্রতিকৃতি আঁকিয়ে হিসেবে। ১৮১৪ থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিচ্ছে।

ঢাকার মসজিদ, জর্জ চিনারি, পেনসিল ড্রইং, ১৮০৯, সথেবিস নিলামে বিক্রিত

কলকাতা থাকায় সময় ১৭৯৯ সালের দিকে ঢাকায় এসেছিলেন। লসটি জানাচ্ছেন, হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি। সে সময়ের তুলনায় যে তা প্রচুর বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভব ছবি আঁকার কমিশন নিয়েই তিনি এসেছিলেন, এবং ঢাকায়ও এসেছিলেন।

ঢাকায় তিনি লালবাগ দুর্গের ফটক নিয়ে একটি তৈলচিত্র আঁকেন। হোম নিশ্চয় আরো কিছু ছবি এঁকেছিলেন কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ লাইব্রেরিয়ে তার আঁকা ২৭টি ছবির সংগ্রহ আছে। হোম কানপুরে মারা যান ১৮-৩৪ সালে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭০)

০৭:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি।

রবার্ট হোম (১৭৫২-১৮৩৪) ছিলেন ব্রায়ান হোমের পুত্র। তার বাবা ছিলেন শৈল্য চিকিৎসক। জন্ম তার ইংল্যান্ডে হাল-এ)। অ্যাঞ্জেলিকা কাউফম্যানের অধীনে তিনি চিত্রবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। এরপর ইতালি [১৭৭৩-৭৮) ও ডাবলিনে [১৭৮৩-৮৯) পেশাদার চিত্রশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। খুব সম্ভব, সুবিধা করতে পারেননি।

তাই রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশে ১৭৯০ সালে। প্রথমে পা রাখেন মাদ্রাজে, লর্ড কর্ণওয়ালিস যুদ্ধ করলে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন। সেখানে আঁকা তাঁর চিত্রাবলি নিয়ে লন্ডন থেকে ১৭৯৪ সালে প্রকাশিত হয়- সিদ্ধে ভিউজ ইন মাইশোর, দ্য কান্ট্রি অব টিপু সুলতান ১৭৯৫ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজে ছিলেন তারপর সঙ্গে আসেন কলকাতা। ১৭৯৫-১৮১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতায়। সেখান থেকে চলে যান অযোধ্যার রাজদরবারে প্রতিকৃতি আঁকিয়ে হিসেবে। ১৮১৪ থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিচ্ছে।

ঢাকার মসজিদ, জর্জ চিনারি, পেনসিল ড্রইং, ১৮০৯, সথেবিস নিলামে বিক্রিত

কলকাতা থাকায় সময় ১৭৯৯ সালের দিকে ঢাকায় এসেছিলেন। লসটি জানাচ্ছেন, হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি। সে সময়ের তুলনায় যে তা প্রচুর বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভব ছবি আঁকার কমিশন নিয়েই তিনি এসেছিলেন, এবং ঢাকায়ও এসেছিলেন।

ঢাকায় তিনি লালবাগ দুর্গের ফটক নিয়ে একটি তৈলচিত্র আঁকেন। হোম নিশ্চয় আরো কিছু ছবি এঁকেছিলেন কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ লাইব্রেরিয়ে তার আঁকা ২৭টি ছবির সংগ্রহ আছে। হোম কানপুরে মারা যান ১৮-৩৪ সালে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)