০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে এশিয়াজুড়ে ফুটবল উন্মাদনা, আলোচনায় মেসি-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া জন্মের সময় সন্তানের পাশে থাকতে চান ডোকু, বিশ্বকাপ ছাড়ার ইচ্ছা ঘিরে বিতর্ক নর্থ সাগরের তেল-গ্যাস, রাজনৈতিক দ্বিধা এবং এসএনপির ক্রমবর্ধমান সংকট দুধকুমার নদীর ভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপের দাবি, মানববন্ধনে কুড়িগ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের সতর্কবার্তা: অপতৎপরতা রুখতে আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা, তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার দাবি হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি: সড়ক অবরোধে জ্বালানি-খাদ্য সংকট, বাড়ছে রাজনৈতিক অস্থিরতা ভারতের ডিজিটাল জনগণনা মাঠে: তাপদাহ, নিরাপত্তা শঙ্কা ও প্রযুক্তিগত বাধায় বিপাকে গণনাকারীরা পাঁচ বছর না খেয়েও বেঁচে থাকে গভীর সমুদ্রের এই প্রাণী, জানাল নতুন গবেষণা হরমুজ সংকট কাটলেও বিশ্ব অর্থনীতির স্বস্তি ফিরতে সময় লাগবে

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭০)

হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি।

রবার্ট হোম (১৭৫২-১৮৩৪) ছিলেন ব্রায়ান হোমের পুত্র। তার বাবা ছিলেন শৈল্য চিকিৎসক। জন্ম তার ইংল্যান্ডে হাল-এ)। অ্যাঞ্জেলিকা কাউফম্যানের অধীনে তিনি চিত্রবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। এরপর ইতালি [১৭৭৩-৭৮) ও ডাবলিনে [১৭৮৩-৮৯) পেশাদার চিত্রশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। খুব সম্ভব, সুবিধা করতে পারেননি।

তাই রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশে ১৭৯০ সালে। প্রথমে পা রাখেন মাদ্রাজে, লর্ড কর্ণওয়ালিস যুদ্ধ করলে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন। সেখানে আঁকা তাঁর চিত্রাবলি নিয়ে লন্ডন থেকে ১৭৯৪ সালে প্রকাশিত হয়- সিদ্ধে ভিউজ ইন মাইশোর, দ্য কান্ট্রি অব টিপু সুলতান ১৭৯৫ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজে ছিলেন তারপর সঙ্গে আসেন কলকাতা। ১৭৯৫-১৮১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতায়। সেখান থেকে চলে যান অযোধ্যার রাজদরবারে প্রতিকৃতি আঁকিয়ে হিসেবে। ১৮১৪ থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিচ্ছে।

ঢাকার মসজিদ, জর্জ চিনারি, পেনসিল ড্রইং, ১৮০৯, সথেবিস নিলামে বিক্রিত

কলকাতা থাকায় সময় ১৭৯৯ সালের দিকে ঢাকায় এসেছিলেন। লসটি জানাচ্ছেন, হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি। সে সময়ের তুলনায় যে তা প্রচুর বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভব ছবি আঁকার কমিশন নিয়েই তিনি এসেছিলেন, এবং ঢাকায়ও এসেছিলেন।

ঢাকায় তিনি লালবাগ দুর্গের ফটক নিয়ে একটি তৈলচিত্র আঁকেন। হোম নিশ্চয় আরো কিছু ছবি এঁকেছিলেন কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ লাইব্রেরিয়ে তার আঁকা ২৭টি ছবির সংগ্রহ আছে। হোম কানপুরে মারা যান ১৮-৩৪ সালে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে এশিয়াজুড়ে ফুটবল উন্মাদনা, আলোচনায় মেসি-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭০)

০৭:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি।

রবার্ট হোম (১৭৫২-১৮৩৪) ছিলেন ব্রায়ান হোমের পুত্র। তার বাবা ছিলেন শৈল্য চিকিৎসক। জন্ম তার ইংল্যান্ডে হাল-এ)। অ্যাঞ্জেলিকা কাউফম্যানের অধীনে তিনি চিত্রবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। এরপর ইতালি [১৭৭৩-৭৮) ও ডাবলিনে [১৭৮৩-৮৯) পেশাদার চিত্রশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। খুব সম্ভব, সুবিধা করতে পারেননি।

তাই রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশে ১৭৯০ সালে। প্রথমে পা রাখেন মাদ্রাজে, লর্ড কর্ণওয়ালিস যুদ্ধ করলে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন। সেখানে আঁকা তাঁর চিত্রাবলি নিয়ে লন্ডন থেকে ১৭৯৪ সালে প্রকাশিত হয়- সিদ্ধে ভিউজ ইন মাইশোর, দ্য কান্ট্রি অব টিপু সুলতান ১৭৯৫ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজে ছিলেন তারপর সঙ্গে আসেন কলকাতা। ১৭৯৫-১৮১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতায়। সেখান থেকে চলে যান অযোধ্যার রাজদরবারে প্রতিকৃতি আঁকিয়ে হিসেবে। ১৮১৪ থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিচ্ছে।

ঢাকার মসজিদ, জর্জ চিনারি, পেনসিল ড্রইং, ১৮০৯, সথেবিস নিলামে বিক্রিত

কলকাতা থাকায় সময় ১৭৯৯ সালের দিকে ঢাকায় এসেছিলেন। লসটি জানাচ্ছেন, হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি। সে সময়ের তুলনায় যে তা প্রচুর বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভব ছবি আঁকার কমিশন নিয়েই তিনি এসেছিলেন, এবং ঢাকায়ও এসেছিলেন।

ঢাকায় তিনি লালবাগ দুর্গের ফটক নিয়ে একটি তৈলচিত্র আঁকেন। হোম নিশ্চয় আরো কিছু ছবি এঁকেছিলেন কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ লাইব্রেরিয়ে তার আঁকা ২৭টি ছবির সংগ্রহ আছে। হোম কানপুরে মারা যান ১৮-৩৪ সালে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)