পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৩১)
কেদারীর মা আমার মায়ের সুখদুঃখের অন্তরঙ্গ দরদি ছিল কেদারীর মা। রহিমের মা বু, আর ছেলে কেদারীকে রাখিয়া কেদারীর বাপ মরিয়া
ইশকুল (পর্ব-০৩)
আর্কাদি গাইদার প্রথম পরিচ্ছেদ ঘণ্টাঘরের মিনারের মাথায় উঠতে ভারি ভালো লাগত আমার। একমাত্র ইস্টারের সময়ই বাচ্চাদের ঘণ্টাঘরে উঠতে দেয়া হত।
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৩০)
আমার মা আমাদের গ্রামে আলিমদ্দি মোল্লার বাড়িতে আর বাহাদুর খাঁর বাড়িতে খেজুরের রস জ্বাল দিয়া গুড় তৈরি হইত। সকাল হইলে
ইশকুল (পর্ব-০২)
আর্কাদি গাইদার প্রথম পরিচ্ছেদ আর কী আশ্চর্য, সেখানে গিয়ে দেখা গেল গিজে’র গায়করা যেখানে দাঁড়িয়ে গান করে তার পাশটিতে দাঁড়িয়ে
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২৯)
আমার মা মাঝে মাঝে ইলিশ মাছের হালি যখন দুই আনা তিন আনায় নামিত, তখন বাজান একসঙ্গে সাত-আটটি মাছ কিনিয়া আনিতেন।
ইশকুল (পর্ব-০১)
আর্কাদি গাইদার প্রথম পরিচ্ছেদ আমাদের আরজামাস শহরটি ছিল ভারি শান্ত আর ছোট্ট একটুখানি জায়গা, নড়বড়ে বেড়ায়-ঘেরা ফুল আর ফলের বাগানের
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২৮)
আমার মা শীতের মৌসুমে কুম্ভকারেরা হাঁড়িপাতিল লইয়া আমাদের গ্রামে বেচিতে আসিত। চাষী-বধুরা চিটাধানের সঙ্গে কিছু আসল ধান মিশাইয়া সেই হাঁড়িপাতিলের
ইলিয়াস খৌরি ও ফিলিস্তিনিদের জীবন নিয়ে তার উপন্যাস গুলো
সারাক্ষণ ডেস্ক যখন উম্ম হাসান তার পুরনো বাড়িতে পৌঁছালেন, যা গ্রামে অবশিষ্ট একমাত্র অবধারিত বাড়ি ছিল, তাকে কিছুক্ষণ মাটিতে বসে থাকতে হলো।





















