০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত ফখরুল মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বললেন, বিনিয়োগের জন্য আদর্শ বাংলাদেশ ইরান যুদ্ধের কারণে দুবাই রুট বন্ধ, জামিলের মরদেহ দেশে ফেরাতে বিকল্প পথের খোঁজ এলডিসি স্নাতকের আগে সংস্কার না হলে বিনিয়োগ টানতে পারবে না বাংলাদেশ, সতর্কতা আঙ্কটাডের যশোরে ‘জিয়া খাল’ পুনরুদ্ধার করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বাবার স্মৃতিতে নিবেদিত হামে শিশুমৃত্যু থামছে না, ৯৩ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার অভিযান চলছে সাগর-রুনি হত্যা মামলার ১৪ বছর: সাংবাদিক দম্পতির বিচার আজও অধরা নারায়ণগঞ্জ সাত খুনের ১২ বছর: বিচারের দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ভুক্তভোগী পরিবার

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • 120

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আমরা পূর্বেই বলেছি স্থানীয়মান সহকারে সংখ্যাপাতন পদ্ধতি নিঃসন্দেহে মানব-জাতির একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। তবে এটি কে, কবে এবং কোন জাতি আবিষ্কার করেছিলেন তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত আমরা এ ব্যাপারে কিছুটা অন্ধকারে রয়েছি।

যাই হোক, যতটুকু আমরা জানতে পেরেছি তা থেকে বলা যায় এই পদ্ধতিটি হিন্দু আরবীয় সংখ্যাপাতন পদ্ধতি এবং এই সূত্র থেকেই বলা যায় এটি ভারতীয় এবং আরবীয়রাই আবিষ্কার করেছেন। তবে এ মত সকলের নয়। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন ভারতীয়র।

এ পদ্ধতি একদিনে বের করেননি অথবা কোন একজন নির্দিষ্ট ভারতীয় গণিতবিদ এটি আবিষ্কার করেননি। এটি বহু শতাব্দী ধরে বহু গণিতবিদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে উদ্ভূত। গাঁজ (Gandz) প্রমুখ পাশ্চাত্য পণ্ডিতেরা মনে করেন সম্ভবতঃ গণনা ফলকের (Abacus) এর লম্বসারির (বা স্তম্ভ বা Column) ধারনা থেকে ভারতীয়রা দশ এবং দশগুণোত্তর রাশির নামকরণ করেছিলেন। বুবনভ ও ক্যে কিছুতেই প্রথম আবিষ্কর্ত।

হিসাবে ভারতীয়দের স্থান দিতে নারাজ এবং এক্ষেত্রে ইউরোপকে আবিষ্কর্তার আসনে বসাতে চান। কিন্তু সুখের কথা ক্যে প্রমুখের মত পরবর্তীকালে গ্রাহ হয় নি পরন্তু ভারতীয়রাই এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বলে পরবর্তীকালে সুদৃঢ় মত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৬)

০৩:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আমরা পূর্বেই বলেছি স্থানীয়মান সহকারে সংখ্যাপাতন পদ্ধতি নিঃসন্দেহে মানব-জাতির একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। তবে এটি কে, কবে এবং কোন জাতি আবিষ্কার করেছিলেন তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত আমরা এ ব্যাপারে কিছুটা অন্ধকারে রয়েছি।

যাই হোক, যতটুকু আমরা জানতে পেরেছি তা থেকে বলা যায় এই পদ্ধতিটি হিন্দু আরবীয় সংখ্যাপাতন পদ্ধতি এবং এই সূত্র থেকেই বলা যায় এটি ভারতীয় এবং আরবীয়রাই আবিষ্কার করেছেন। তবে এ মত সকলের নয়। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন ভারতীয়র।

এ পদ্ধতি একদিনে বের করেননি অথবা কোন একজন নির্দিষ্ট ভারতীয় গণিতবিদ এটি আবিষ্কার করেননি। এটি বহু শতাব্দী ধরে বহু গণিতবিদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে উদ্ভূত। গাঁজ (Gandz) প্রমুখ পাশ্চাত্য পণ্ডিতেরা মনে করেন সম্ভবতঃ গণনা ফলকের (Abacus) এর লম্বসারির (বা স্তম্ভ বা Column) ধারনা থেকে ভারতীয়রা দশ এবং দশগুণোত্তর রাশির নামকরণ করেছিলেন। বুবনভ ও ক্যে কিছুতেই প্রথম আবিষ্কর্ত।

হিসাবে ভারতীয়দের স্থান দিতে নারাজ এবং এক্ষেত্রে ইউরোপকে আবিষ্কর্তার আসনে বসাতে চান। কিন্তু সুখের কথা ক্যে প্রমুখের মত পরবর্তীকালে গ্রাহ হয় নি পরন্তু ভারতীয়রাই এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বলে পরবর্তীকালে সুদৃঢ় মত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)