০৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
দীপ্তি শর্মার ৫/১০-এ পাকিস্তান ধরাশায়ী, বিশ্বকাপে ভারতের দুর্দান্ত শুরু বিশ্বকাপে আজ ফ্রান্স-সেনেগাল ও আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া, ইরান দলকে ঘিরে নাটক ‘নাইভস আউট ৩’ নেটফ্লিক্সে: বেনোয়া ব্লাঁর নতুন রহস্য নেটফ্লিক্সের এমজে ডকু নিয়ে ক্ষুব্ধ ভক্তদের একাংশ কান ২০২৬: ঐশ্বরিয়া নাকি আলিয়া — ফ্যাশন বিতর্কে সামাজিক মাধ্যম দ্বিধাবিভক্ত আলিয়া ভাটের ‘আলফা’ টিজারে ওয়াইআরএফ স্পাই ইউনিভার্সে নতুন অধ্যায় ১৯ জুন আসছে ‘ককটেল ২’: শাহিদ-ক্রিতি-রাশ্মিকার ত্রিকোণ প্রেম বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চে বিটিএস, শাকিরা ও ম্যাডোনা বিটিএস-এর ১৩তম বার্ষিকী: ‘কাম ওভার’ স্ট্রিমিংয়ে, ‘সুইম’ বিলবোর্ডে শীর্ষে ব্রিটেনে ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধের পরিকল্পনা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • 139

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আমরা পূর্বেই বলেছি স্থানীয়মান সহকারে সংখ্যাপাতন পদ্ধতি নিঃসন্দেহে মানব-জাতির একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। তবে এটি কে, কবে এবং কোন জাতি আবিষ্কার করেছিলেন তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত আমরা এ ব্যাপারে কিছুটা অন্ধকারে রয়েছি।

যাই হোক, যতটুকু আমরা জানতে পেরেছি তা থেকে বলা যায় এই পদ্ধতিটি হিন্দু আরবীয় সংখ্যাপাতন পদ্ধতি এবং এই সূত্র থেকেই বলা যায় এটি ভারতীয় এবং আরবীয়রাই আবিষ্কার করেছেন। তবে এ মত সকলের নয়। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন ভারতীয়র।

এ পদ্ধতি একদিনে বের করেননি অথবা কোন একজন নির্দিষ্ট ভারতীয় গণিতবিদ এটি আবিষ্কার করেননি। এটি বহু শতাব্দী ধরে বহু গণিতবিদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে উদ্ভূত। গাঁজ (Gandz) প্রমুখ পাশ্চাত্য পণ্ডিতেরা মনে করেন সম্ভবতঃ গণনা ফলকের (Abacus) এর লম্বসারির (বা স্তম্ভ বা Column) ধারনা থেকে ভারতীয়রা দশ এবং দশগুণোত্তর রাশির নামকরণ করেছিলেন। বুবনভ ও ক্যে কিছুতেই প্রথম আবিষ্কর্ত।

হিসাবে ভারতীয়দের স্থান দিতে নারাজ এবং এক্ষেত্রে ইউরোপকে আবিষ্কর্তার আসনে বসাতে চান। কিন্তু সুখের কথা ক্যে প্রমুখের মত পরবর্তীকালে গ্রাহ হয় নি পরন্তু ভারতীয়রাই এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বলে পরবর্তীকালে সুদৃঢ় মত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

জনপ্রিয় সংবাদ

দীপ্তি শর্মার ৫/১০-এ পাকিস্তান ধরাশায়ী, বিশ্বকাপে ভারতের দুর্দান্ত শুরু

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৬)

০৩:১৬:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আমরা পূর্বেই বলেছি স্থানীয়মান সহকারে সংখ্যাপাতন পদ্ধতি নিঃসন্দেহে মানব-জাতির একটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। তবে এটি কে, কবে এবং কোন জাতি আবিষ্কার করেছিলেন তা নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত আমরা এ ব্যাপারে কিছুটা অন্ধকারে রয়েছি।

যাই হোক, যতটুকু আমরা জানতে পেরেছি তা থেকে বলা যায় এই পদ্ধতিটি হিন্দু আরবীয় সংখ্যাপাতন পদ্ধতি এবং এই সূত্র থেকেই বলা যায় এটি ভারতীয় এবং আরবীয়রাই আবিষ্কার করেছেন। তবে এ মত সকলের নয়। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন ভারতীয়র।

এ পদ্ধতি একদিনে বের করেননি অথবা কোন একজন নির্দিষ্ট ভারতীয় গণিতবিদ এটি আবিষ্কার করেননি। এটি বহু শতাব্দী ধরে বহু গণিতবিদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে উদ্ভূত। গাঁজ (Gandz) প্রমুখ পাশ্চাত্য পণ্ডিতেরা মনে করেন সম্ভবতঃ গণনা ফলকের (Abacus) এর লম্বসারির (বা স্তম্ভ বা Column) ধারনা থেকে ভারতীয়রা দশ এবং দশগুণোত্তর রাশির নামকরণ করেছিলেন। বুবনভ ও ক্যে কিছুতেই প্রথম আবিষ্কর্ত।

হিসাবে ভারতীয়দের স্থান দিতে নারাজ এবং এক্ষেত্রে ইউরোপকে আবিষ্কর্তার আসনে বসাতে চান। কিন্তু সুখের কথা ক্যে প্রমুখের মত পরবর্তীকালে গ্রাহ হয় নি পরন্তু ভারতীয়রাই এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বলে পরবর্তীকালে সুদৃঢ় মত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১২৫)