০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • 310

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা তাদের ধর্ম, ধর্মীয় বোধের ওটাকে এমন পর্যায়ে উন্নীত করেছিল যার সাহায্যে তারা অতি-প্রাকৃত শক্তির সঙ্গে এই পৃথিবীর এক সম্পর্ক তৈরি করেছিল। এই সু-সম্পর্ক আমাদের চিন্তার মধ্যে এনে দিয়েছে এক সুন্দর এক শৃঙ্খলা। চিন্তা-ভাবনার পারম্পর্য একটি দর্শন-এর সৃষ্টি করেছিল।

আজতেক সমাজ বিশ্বাস করে এই জড়জগৎ চারটি যুগ বা স্তর পেরিয়ে এসেছে। তারা এমনও মনে করে যে এই পৃথিবী কোনো ভৌগোলিক সত্তা বা ব্যবস্থা নয়। একটি ধর্মীয় সত্তা মাত্র। পৃথিবীকে ভাগ করা হয়েছে সমান্তরাল এবং উল্লম্বভাবে। যেখানে ধর্ম, অগ্নিদেবতা পরস্পর নিজস্ব মহিমায় ভাস্বর।

মেক্সিকোর আজতেক জনগোষ্ঠী বিশ্বাস করে পুবদিকে অবস্থান করে বৃষ্টির দেবতা (Rain ৪০৫)। এছাড়া রয়েছেন সূর্য দেবতা (Sun god)। নাম তার তোনাতিউহ (Tonatiuh) এই সূর্য দেবতা স্বর্গলোকের প্রধান হিসেবে যাবতীয় কাজ সম্পাদন করেন।

তবে একথা বলা প্রয়োজন যে আজতেকদের বর্মীয় বিশ্বাসের মূল স্বর ইউরোপীয় ধারণা থেকে আলাদা। মেক্সিকোদের ধর্মীয় বিশ্বাসে অতিপ্রাকৃতর দু’রকম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। একটির নাম হল তেওত (teote) এবং দ্বিতীয়টিকে বলা হয় তেক্সিপলা (lexiptila)।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৩)

০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা তাদের ধর্ম, ধর্মীয় বোধের ওটাকে এমন পর্যায়ে উন্নীত করেছিল যার সাহায্যে তারা অতি-প্রাকৃত শক্তির সঙ্গে এই পৃথিবীর এক সম্পর্ক তৈরি করেছিল। এই সু-সম্পর্ক আমাদের চিন্তার মধ্যে এনে দিয়েছে এক সুন্দর এক শৃঙ্খলা। চিন্তা-ভাবনার পারম্পর্য একটি দর্শন-এর সৃষ্টি করেছিল।

আজতেক সমাজ বিশ্বাস করে এই জড়জগৎ চারটি যুগ বা স্তর পেরিয়ে এসেছে। তারা এমনও মনে করে যে এই পৃথিবী কোনো ভৌগোলিক সত্তা বা ব্যবস্থা নয়। একটি ধর্মীয় সত্তা মাত্র। পৃথিবীকে ভাগ করা হয়েছে সমান্তরাল এবং উল্লম্বভাবে। যেখানে ধর্ম, অগ্নিদেবতা পরস্পর নিজস্ব মহিমায় ভাস্বর।

মেক্সিকোর আজতেক জনগোষ্ঠী বিশ্বাস করে পুবদিকে অবস্থান করে বৃষ্টির দেবতা (Rain ৪০৫)। এছাড়া রয়েছেন সূর্য দেবতা (Sun god)। নাম তার তোনাতিউহ (Tonatiuh) এই সূর্য দেবতা স্বর্গলোকের প্রধান হিসেবে যাবতীয় কাজ সম্পাদন করেন।

তবে একথা বলা প্রয়োজন যে আজতেকদের বর্মীয় বিশ্বাসের মূল স্বর ইউরোপীয় ধারণা থেকে আলাদা। মেক্সিকোদের ধর্মীয় বিশ্বাসে অতিপ্রাকৃতর দু’রকম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। একটির নাম হল তেওত (teote) এবং দ্বিতীয়টিকে বলা হয় তেক্সিপলা (lexiptila)।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২২)