০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
ইউরোপের প্রবৃদ্ধি সংকট: ঐক্যহীনতা ও সংস্কার জটিলতায় ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ কেন ইরানের পক্ষে লাভজনক পিঁপড়াদের থ্রিডি জগত উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের চোখে অবাক করা জীববৈচিত্র্যের মিছিল হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র হলিউড ছাড়ছে অস্কার, ২০২৯ থেকে নতুন ঠিকানা ডাউনটাউন লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্রেক্সিটের পর ইংল্যান্ডের কৃষিনীতি: অন্য দেশের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত তাডোবায় ডোরাকাটা রোমাঞ্চ জিপ সাফারির বাইরে বনভ্রমণের নতুন ধারা, প্রকৃতিকে বুঝেই আবিষ্কার করছেন পর্যটকরা ফোনমুক্ত শৈশবের পথে এক শহরের লড়াই: শিশুদের মানসিক সুস্থতায় আয়ারল্যান্ডের অনন্য উদ্যোগ টমি শেলবির শেষ লড়াই—‘পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমমর্টাল ম্যান’-এ বিদায়ের গল্প

জাপান ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

সফরের সময়সূচি
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২৯ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাপান ও চীন সফর করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনি প্রথমে জাপান সফর করবেন ২৯ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর তিনি চীনের তিয়ানজিন শহরে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেবেন।

জাপান সফরের উদ্দেশ্য
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার আমন্ত্রণে মোদি টোকিওতে ১৫তম ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। এটি হবে মোদির অষ্টম জাপান সফর এবং ইশিবার সঙ্গে প্রথম শীর্ষ বৈঠক।
সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব পর্যালোচনা করবেন। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, এ সফর দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।

চীন সফর ও এসসিও সম্মেলন
জাপান সফরের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি চীনে যাবেন। তিনি ৩১ আগস্ট তিয়ানজিন শহরে এসসিও সম্মেলনে যোগ দেবেন। এ সম্মেলনে ২০টিরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতা উপস্থিত থাকবেন।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে মোদি এ সফরে যাচ্ছেন। সম্মেলনের পাশাপাশি মোদির বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপট
মোদির সর্বশেষ চীন সফর ছিল ২০১৮ সালে। সেই বছর তিনি প্রথমে উহানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন এবং জুন মাসে কিংদাওতে এসসিও সম্মেলনে যোগ দেন। এর পর ২০১৯ সালে শি ভারতে এসেছিলেন দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে, যা ২০১৭ সালের ডোকলাম অচলাবস্থার প্রভাব মোকাবিলায় আয়োজন করা হয়েছিল।
তবে ২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে চীন-ভারত সেনাদের সংঘর্ষে সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে যায়। গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা এবং অন্তত ৪ জন চীনা সেনা নিহত হন।
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দুই দেশ সীমান্ত অচলাবস্থা নিরসনে সমঝোতায় পৌঁছায়। এরপরই রাশিয়ার কাজান শহরে মোদি ও শি বৈঠক করেন এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বেশ কিছু প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর বিষয়ে একমত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের প্রবৃদ্ধি সংকট: ঐক্যহীনতা ও সংস্কার জটিলতায় ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

জাপান ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

১২:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

সফরের সময়সূচি
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২৯ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাপান ও চীন সফর করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনি প্রথমে জাপান সফর করবেন ২৯ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর তিনি চীনের তিয়ানজিন শহরে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেবেন।

জাপান সফরের উদ্দেশ্য
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার আমন্ত্রণে মোদি টোকিওতে ১৫তম ভারত-জাপান বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন। এটি হবে মোদির অষ্টম জাপান সফর এবং ইশিবার সঙ্গে প্রথম শীর্ষ বৈঠক।
সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব পর্যালোচনা করবেন। প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, এ সফর দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।

চীন সফর ও এসসিও সম্মেলন
জাপান সফরের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি চীনে যাবেন। তিনি ৩১ আগস্ট তিয়ানজিন শহরে এসসিও সম্মেলনে যোগ দেবেন। এ সম্মেলনে ২০টিরও বেশি দেশের শীর্ষ নেতা উপস্থিত থাকবেন।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে মোদি এ সফরে যাচ্ছেন। সম্মেলনের পাশাপাশি মোদির বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপট
মোদির সর্বশেষ চীন সফর ছিল ২০১৮ সালে। সেই বছর তিনি প্রথমে উহানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন এবং জুন মাসে কিংদাওতে এসসিও সম্মেলনে যোগ দেন। এর পর ২০১৯ সালে শি ভারতে এসেছিলেন দ্বিতীয় অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে, যা ২০১৭ সালের ডোকলাম অচলাবস্থার প্রভাব মোকাবিলায় আয়োজন করা হয়েছিল।
তবে ২০২০ সালে লাদাখ সীমান্তে চীন-ভারত সেনাদের সংঘর্ষে সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছে যায়। গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা এবং অন্তত ৪ জন চীনা সেনা নিহত হন।
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দুই দেশ সীমান্ত অচলাবস্থা নিরসনে সমঝোতায় পৌঁছায়। এরপরই রাশিয়ার কাজান শহরে মোদি ও শি বৈঠক করেন এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বেশ কিছু প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর বিষয়ে একমত হন।