০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
ইউরোপের প্রবৃদ্ধি সংকট: ঐক্যহীনতা ও সংস্কার জটিলতায় ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ কেন ইরানের পক্ষে লাভজনক পিঁপড়াদের থ্রিডি জগত উন্মোচন, বিজ্ঞানীদের চোখে অবাক করা জীববৈচিত্র্যের মিছিল হরমুজ বন্ধ, বিশ্ব বাণিজ্যের ঝুঁকির নতুন মানচিত্র হলিউড ছাড়ছে অস্কার, ২০২৯ থেকে নতুন ঠিকানা ডাউনটাউন লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্রেক্সিটের পর ইংল্যান্ডের কৃষিনীতি: অন্য দেশের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত তাডোবায় ডোরাকাটা রোমাঞ্চ জিপ সাফারির বাইরে বনভ্রমণের নতুন ধারা, প্রকৃতিকে বুঝেই আবিষ্কার করছেন পর্যটকরা ফোনমুক্ত শৈশবের পথে এক শহরের লড়াই: শিশুদের মানসিক সুস্থতায় আয়ারল্যান্ডের অনন্য উদ্যোগ টমি শেলবির শেষ লড়াই—‘পিকি ব্লাইন্ডার্স: দ্য ইমমর্টাল ম্যান’-এ বিদায়ের গল্প

টিকটক কি আবার ভারতে? কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া

আগস্ট ২৩, ২০২৫-এ হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু ব্যবহারকারী টিকটকের ওয়েবসাইট ভারতে অ্যাক্সেস করতে পারছেন। কিন্তু ঠিক একই সময়ে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, টিকটক বা কোনো চিনা অ্যাপের বিষয়ে এখনও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি।

সরকারি স্পষ্টিকরণ
সরকার স্পষ্ট করে বলেছে: “ভারত সরকার টিকটক আনব্লক করার কোনো আদেশ জারি করেনি। এমন কোনো বক্তব্য বা সংবাদ ‘মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর’।”
এই স্পষ্ট ঘোষণা মাধ্যমে গুজব প্রতিহত করা হয়েছে যে, টিকটকের বিষয়ে কোনো নীতি পরিবর্তন হয়নি।

তথ্য ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
জুন ২০২০-এ তথ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌম্য, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জনরক্ষার কারণে কেন্দ্র ৫৯টি চিনা অ্যাপ বন্ধ করে, যার মধ্যে টিকটক, ইউসি ব্রাউজার ও উইচ্যাট ছিল।
তখনকার সময় ভারত ও চীনের মধ্যে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর থেকে সম্পর্ক বিপর্যয়ের শিকার হয়।
তখনকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহী এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলেন এবং তখনকার গৃহসচিব অজয় ভল্লার পরামর্শ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে আদেশ জারি করেছিল।

অবিশ্বাস্য আচরণ ও ডেটা ফাঁস
ওই সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী এসব অ্যাপগুলো “ডেটা ফাঁস করছে”— লোকেশন ডেটা নিচ্ছে, চীন ভিত্তিক সার্ভারে ফাইল ট্রান্সফার করছে। এর পাশাপাশি, বিউটি প্লাস বা সেলফি ক্যামেরার মতো অ্যাপগুলো পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী ধারণ, এ নিয়ে বিশ্লেষকরা উদ্বেগ জানায়।

ভারতে টিকটকের জনপ্রিয়তা
জানুয়ারি ২০২০ অনুযায়ী, ভারতে টিকটকের ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল প্রায় দুই কোটি (২০০ মিলিয়ন)।


সাম্প্রতিক “সামাজিক চর্চা ও মিডিয়া”-তে টিকটক ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে গুঞ্জন ছিল, বিশেষ করে কিছু ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করতে পারায়, কিন্তু সরকারি পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এখনও কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র ওয়েবসাইট সীমাবদ্ধভাবে কিছু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত হলেও মোবাইল অ্যাপ এখনও নিষিদ্ধ, এবং কোনো প্রত্যাবর্তন বা পুনঃঅনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের প্রবৃদ্ধি সংকট: ঐক্যহীনতা ও সংস্কার জটিলতায় ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

টিকটক কি আবার ভারতে? কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া

১২:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

আগস্ট ২৩, ২০২৫-এ হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু ব্যবহারকারী টিকটকের ওয়েবসাইট ভারতে অ্যাক্সেস করতে পারছেন। কিন্তু ঠিক একই সময়ে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, টিকটক বা কোনো চিনা অ্যাপের বিষয়ে এখনও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি।

সরকারি স্পষ্টিকরণ
সরকার স্পষ্ট করে বলেছে: “ভারত সরকার টিকটক আনব্লক করার কোনো আদেশ জারি করেনি। এমন কোনো বক্তব্য বা সংবাদ ‘মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর’।”
এই স্পষ্ট ঘোষণা মাধ্যমে গুজব প্রতিহত করা হয়েছে যে, টিকটকের বিষয়ে কোনো নীতি পরিবর্তন হয়নি।

তথ্য ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
জুন ২০২০-এ তথ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌম্য, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জনরক্ষার কারণে কেন্দ্র ৫৯টি চিনা অ্যাপ বন্ধ করে, যার মধ্যে টিকটক, ইউসি ব্রাউজার ও উইচ্যাট ছিল।
তখনকার সময় ভারত ও চীনের মধ্যে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর থেকে সম্পর্ক বিপর্যয়ের শিকার হয়।
তখনকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহী এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলেন এবং তখনকার গৃহসচিব অজয় ভল্লার পরামর্শ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে আদেশ জারি করেছিল।

অবিশ্বাস্য আচরণ ও ডেটা ফাঁস
ওই সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী এসব অ্যাপগুলো “ডেটা ফাঁস করছে”— লোকেশন ডেটা নিচ্ছে, চীন ভিত্তিক সার্ভারে ফাইল ট্রান্সফার করছে। এর পাশাপাশি, বিউটি প্লাস বা সেলফি ক্যামেরার মতো অ্যাপগুলো পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী ধারণ, এ নিয়ে বিশ্লেষকরা উদ্বেগ জানায়।

ভারতে টিকটকের জনপ্রিয়তা
জানুয়ারি ২০২০ অনুযায়ী, ভারতে টিকটকের ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল প্রায় দুই কোটি (২০০ মিলিয়ন)।


সাম্প্রতিক “সামাজিক চর্চা ও মিডিয়া”-তে টিকটক ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে গুঞ্জন ছিল, বিশেষ করে কিছু ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করতে পারায়, কিন্তু সরকারি পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এখনও কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র ওয়েবসাইট সীমাবদ্ধভাবে কিছু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত হলেও মোবাইল অ্যাপ এখনও নিষিদ্ধ, এবং কোনো প্রত্যাবর্তন বা পুনঃঅনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়নি।