০৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

টিকটক কি আবার ভারতে? কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া

আগস্ট ২৩, ২০২৫-এ হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু ব্যবহারকারী টিকটকের ওয়েবসাইট ভারতে অ্যাক্সেস করতে পারছেন। কিন্তু ঠিক একই সময়ে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, টিকটক বা কোনো চিনা অ্যাপের বিষয়ে এখনও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি।

সরকারি স্পষ্টিকরণ
সরকার স্পষ্ট করে বলেছে: “ভারত সরকার টিকটক আনব্লক করার কোনো আদেশ জারি করেনি। এমন কোনো বক্তব্য বা সংবাদ ‘মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর’।”
এই স্পষ্ট ঘোষণা মাধ্যমে গুজব প্রতিহত করা হয়েছে যে, টিকটকের বিষয়ে কোনো নীতি পরিবর্তন হয়নি।

তথ্য ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
জুন ২০২০-এ তথ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌম্য, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জনরক্ষার কারণে কেন্দ্র ৫৯টি চিনা অ্যাপ বন্ধ করে, যার মধ্যে টিকটক, ইউসি ব্রাউজার ও উইচ্যাট ছিল।
তখনকার সময় ভারত ও চীনের মধ্যে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর থেকে সম্পর্ক বিপর্যয়ের শিকার হয়।
তখনকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহী এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলেন এবং তখনকার গৃহসচিব অজয় ভল্লার পরামর্শ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে আদেশ জারি করেছিল।

অবিশ্বাস্য আচরণ ও ডেটা ফাঁস
ওই সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী এসব অ্যাপগুলো “ডেটা ফাঁস করছে”— লোকেশন ডেটা নিচ্ছে, চীন ভিত্তিক সার্ভারে ফাইল ট্রান্সফার করছে। এর পাশাপাশি, বিউটি প্লাস বা সেলফি ক্যামেরার মতো অ্যাপগুলো পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী ধারণ, এ নিয়ে বিশ্লেষকরা উদ্বেগ জানায়।

ভারতে টিকটকের জনপ্রিয়তা
জানুয়ারি ২০২০ অনুযায়ী, ভারতে টিকটকের ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল প্রায় দুই কোটি (২০০ মিলিয়ন)।


সাম্প্রতিক “সামাজিক চর্চা ও মিডিয়া”-তে টিকটক ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে গুঞ্জন ছিল, বিশেষ করে কিছু ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করতে পারায়, কিন্তু সরকারি পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এখনও কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র ওয়েবসাইট সীমাবদ্ধভাবে কিছু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত হলেও মোবাইল অ্যাপ এখনও নিষিদ্ধ, এবং কোনো প্রত্যাবর্তন বা পুনঃঅনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

টিকটক কি আবার ভারতে? কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া

১২:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

আগস্ট ২৩, ২০২৫-এ হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কিছু ব্যবহারকারী টিকটকের ওয়েবসাইট ভারতে অ্যাক্সেস করতে পারছেন। কিন্তু ঠিক একই সময়ে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, টিকটক বা কোনো চিনা অ্যাপের বিষয়ে এখনও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়নি।

সরকারি স্পষ্টিকরণ
সরকার স্পষ্ট করে বলেছে: “ভারত সরকার টিকটক আনব্লক করার কোনো আদেশ জারি করেনি। এমন কোনো বক্তব্য বা সংবাদ ‘মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর’।”
এই স্পষ্ট ঘোষণা মাধ্যমে গুজব প্রতিহত করা হয়েছে যে, টিকটকের বিষয়ে কোনো নীতি পরিবর্তন হয়নি।

তথ্য ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
জুন ২০২০-এ তথ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় সার্বভৌম্য, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জনরক্ষার কারণে কেন্দ্র ৫৯টি চিনা অ্যাপ বন্ধ করে, যার মধ্যে টিকটক, ইউসি ব্রাউজার ও উইচ্যাট ছিল।
তখনকার সময় ভারত ও চীনের মধ্যে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর থেকে সম্পর্ক বিপর্যয়ের শিকার হয়।
তখনকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহী এই সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলেন এবং তখনকার গৃহসচিব অজয় ভল্লার পরামর্শ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে আদেশ জারি করেছিল।

অবিশ্বাস্য আচরণ ও ডেটা ফাঁস
ওই সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী এসব অ্যাপগুলো “ডেটা ফাঁস করছে”— লোকেশন ডেটা নিচ্ছে, চীন ভিত্তিক সার্ভারে ফাইল ট্রান্সফার করছে। এর পাশাপাশি, বিউটি প্লাস বা সেলফি ক্যামেরার মতো অ্যাপগুলো পর্নোগ্রাফিক সামগ্রী ধারণ, এ নিয়ে বিশ্লেষকরা উদ্বেগ জানায়।

ভারতে টিকটকের জনপ্রিয়তা
জানুয়ারি ২০২০ অনুযায়ী, ভারতে টিকটকের ব্যবহারকারী সংখ্যা ছিল প্রায় দুই কোটি (২০০ মিলিয়ন)।


সাম্প্রতিক “সামাজিক চর্চা ও মিডিয়া”-তে টিকটক ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে গুঞ্জন ছিল, বিশেষ করে কিছু ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করতে পারায়, কিন্তু সরকারি পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা এখনও কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব দেখা যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র ওয়েবসাইট সীমাবদ্ধভাবে কিছু ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত হলেও মোবাইল অ্যাপ এখনও নিষিদ্ধ, এবং কোনো প্রত্যাবর্তন বা পুনঃঅনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়নি।