০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পুনর্জনন চিকিৎসা ক্লিনিকে প্রবেশের দোরগোড়ায়, হৃদ্‌যন্ত্র ব্যর্থতা থেকে মেরুদণ্ড আঘাত—নতুন আশার ইঙ্গিত নতুন মৌসুমে দুর্নীতিবাজ ধনকুবেরদের মুখোশ খুলবে ‘ক্রস’, খোলামেলা আলডিস হজের কথোপকথন রোবোট্যাক্সির নতুন পথচলা: খলিফা সিটি, মাসদার ও রাবদানে স্মার্ট যাতায়াতের বিস্তার সানিয়া মালহোত্রার প্রতিশ্রুতি, এক বছরে ‘মিসেস’ নতুন ভাবে ভাবাচ্ছে নারীর পরিচয় জিমি লাইকে ২০ বছরের কারাদণ্ড, হংকংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় ঐতিহাসিক রায় থাইল্যান্ডে বড় জয়ের পর জোট গঠনের পথে ভূমজাইথাই, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত আমেরিকা ফার্স্ট বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কৌশলের মাধ্যমে বুরুন্ডিতে স্বাস্থ্য সহনশীলতা জোরদার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও নারী ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জোরালো ইরান পরমাণু আলোচনা ঘিরে ধৈর্যের পরীক্ষা, সমঝোতা না সংঘাতের পথে বিশ্ব রাজনীতি

ওসাকা এক্সপোতে ‘ই-মিথেন’ প্রচার—জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন

শিল্পের যুক্তি ও প্রতিশ্রুতি
জাপানের বড় গ্যাস কোম্পানিগুলো ওসাকা এক্সপোর মঞ্চে ‘ই-মিথেন’কে জলবায়ু-বান্ধব সমাধান হিসেবে তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, বিদ্যমান পাইপলাইন ও যন্ত্রপাতি প্রায় অপরিবর্তিত রেখেই এই গ্যাস ব্যবহার সম্ভব, ফলে গ্রাহক ও অবকাঠামো খরচ কম। বিভিন্ন পাইলট প্রকল্প, বিদেশি অংশীদারিত্ব ও ‘নেট জিরো’ রোডম্যাপ দেখিয়ে তারা বলছে—বিশ্বস্ত সরবরাহ বজায় রেখে নির্গমন কমানো যাবে। উচ্চ বিদ্যুৎদর ও রূপান্তরজনিত অনিশ্চয়তায় ভোক্তাদের আশ্বস্ত করাই মূল লক্ষ্য। এই বার্তায় আরও যুক্ত হয়েছে—দ্রুত গৃহস্থালি পরিবর্তনের রাজনীতি এড়ানো যায়।

সমালোচনা: সবুজ ধোঁয়াশা ও সুযোগ-ব্যয়ের ঝুঁকি
জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, ই-মিথেন তৈরি করতে বিপুল নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রয়োজন। ইনপুট যদি জীবাশ্মভিত্তিক হয় বা অতিরিক্ত সবুজ বিদ্যুতের নিশ্চয়তা না থাকে, তবে সারাজীবনভিত্তিক নির্গমন সাধারণ গ্যাসের কাছাকাছি বা বেশি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস অবকাঠামোয় নতুন বিনিয়োগ ‘লক-ইন’ তৈরি করে সাশ্রয়ী বিদ্যুতায়ন—যেমন হিট পাম্প—থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে দিতে পারে। বিতর্কটি আসলে বৈশ্বিক—সিন্থেটিক জ্বালানি কি কেবল কঠিন খাতের জন্য সীমিত প্রয়োগে থাকবে, নাকি পুরোনো গ্যাস ব্যবস্থাকেই টিকিয়ে রাখবে? নীতিনির্ধারকদের তাই সীমিত সরকারি অর্থ সবচেয়ে দ্রুত ও বড় নির্গমন হ্রাসে কোথায় খরচ হবে, সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুনর্জনন চিকিৎসা ক্লিনিকে প্রবেশের দোরগোড়ায়, হৃদ্‌যন্ত্র ব্যর্থতা থেকে মেরুদণ্ড আঘাত—নতুন আশার ইঙ্গিত

ওসাকা এক্সপোতে ‘ই-মিথেন’ প্রচার—জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন

০৩:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

শিল্পের যুক্তি ও প্রতিশ্রুতি
জাপানের বড় গ্যাস কোম্পানিগুলো ওসাকা এক্সপোর মঞ্চে ‘ই-মিথেন’কে জলবায়ু-বান্ধব সমাধান হিসেবে তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, বিদ্যমান পাইপলাইন ও যন্ত্রপাতি প্রায় অপরিবর্তিত রেখেই এই গ্যাস ব্যবহার সম্ভব, ফলে গ্রাহক ও অবকাঠামো খরচ কম। বিভিন্ন পাইলট প্রকল্প, বিদেশি অংশীদারিত্ব ও ‘নেট জিরো’ রোডম্যাপ দেখিয়ে তারা বলছে—বিশ্বস্ত সরবরাহ বজায় রেখে নির্গমন কমানো যাবে। উচ্চ বিদ্যুৎদর ও রূপান্তরজনিত অনিশ্চয়তায় ভোক্তাদের আশ্বস্ত করাই মূল লক্ষ্য। এই বার্তায় আরও যুক্ত হয়েছে—দ্রুত গৃহস্থালি পরিবর্তনের রাজনীতি এড়ানো যায়।

সমালোচনা: সবুজ ধোঁয়াশা ও সুযোগ-ব্যয়ের ঝুঁকি
জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলছেন, ই-মিথেন তৈরি করতে বিপুল নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রয়োজন। ইনপুট যদি জীবাশ্মভিত্তিক হয় বা অতিরিক্ত সবুজ বিদ্যুতের নিশ্চয়তা না থাকে, তবে সারাজীবনভিত্তিক নির্গমন সাধারণ গ্যাসের কাছাকাছি বা বেশি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস অবকাঠামোয় নতুন বিনিয়োগ ‘লক-ইন’ তৈরি করে সাশ্রয়ী বিদ্যুতায়ন—যেমন হিট পাম্প—থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে দিতে পারে। বিতর্কটি আসলে বৈশ্বিক—সিন্থেটিক জ্বালানি কি কেবল কঠিন খাতের জন্য সীমিত প্রয়োগে থাকবে, নাকি পুরোনো গ্যাস ব্যবস্থাকেই টিকিয়ে রাখবে? নীতিনির্ধারকদের তাই সীমিত সরকারি অর্থ সবচেয়ে দ্রুত ও বড় নির্গমন হ্রাসে কোথায় খরচ হবে, সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।