১২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধ দুই থেকে তিন সপ্তাহে শেষ হতে পারে — ট্রাম্পের দাবি উইলি ওয়ালশকে ইন্ডিগোর নতুন সিইও: আন্তর্জাতিক প্রসারে নতুন দিগন্ত হোন্ডার নতুন প্রযুক্তি রাস্তাঘাটে রূপান্তর করবে মরুভূমির বালি ভারতীয় জ্বালানি সহায়তায় দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী সহযোগিতা বাড়ছে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি যুদ্ধ মোকাবিলায় শক্তিশালী অবস্থানে নাজিবের ১.৩ বিলিয়ন ডলার ফেরতের আদেশ: মালয়েশিয়ার আদালতের কঠোর রায় ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রিমোট ওয়ার্ক ও বায়োডিজেলের বিশাল পদক্ষেপ ফ্রান্সে ব্যাটারি শিল্পে নতুন দিগন্ত, তাইওয়ানের বিনিয়োগ আকর্ষণে মনোযোগ খাগড়াছড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামীকে ঘিরে পরিবারের অভিযোগ ভোটের আগে মুর্শিদাবাদে বিতর্ক: ‘মীর জাফরের বংশধর’ দাবি করা ৩৪৬ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ
সাহিত্য

না-জায়িজ সওয়াল

আবু ইসহাক আরবির শিক্ষক মৌলবি সাহেব দশম শ্রেণীর আরবির ক্লাস নিতে আসছেন। তাঁর এক হাতে আরবির পাঠ্য বই, অন্য হাতে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৬১)

সুবোধ ডাক্তার ডাক্তারবাবুর কথাগুলি এমনই স্নেহপূর্ণ আর হৃদ্যতা-মাখানো যে পরদিন হইতে আমি আবার যাইয়া মোনা মল্লিককে দেখাশুনা করিতে লাগিলাম। অসুখ

রণক্ষেত্রে (পর্ব-২৪)

আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ কাঁড়েঘরটায় না-ঢোকা পর্যন্ত লোকটিকে ভালো করে দেখতে পাই নি। এবার লক্ষর বাতির আবছা আলোয় ঠাহর করে

স্বয়ম্বরা

রাজশেখর বসু চাটুজ্যেমশায় পাঁজি দেখিয়া বলিলেন-‘রাত্রি ন-টা সাতান্ন মিনিট গতে অম্বরাচা নিবৃত্তি। তার আগে এই বৃষ্টি থামবে না। এখন তো

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৬০)

সুবোধ ডাক্তার আমি রোজ যাইয়া মোনা মল্লিককে দেখাশুনা করিতে লাগিলাম। ডাক্তারের নির্দেশমতো প্রতিদিন তাহাকে ডুস দিয়া পায়খানা করাইতে হইত। গরম

রণক্ষেত্রে (পর্ব-২৩)

আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ ঘোড়ার রেকাবের ওপর তখনও একটা পা রেখে লোকটি বললেন, ‘একজন লোকেরে? তা, কে সে?’ ‘ও কইচে,

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৫৯)

সুবোধ ডাক্তার ডাক্তারবাবুর নির্দেশমত প্রতিদিন সকালে আসিয়া হাইড্রোজেন প্যারাকসাইড দিয়া বৃদ্ধার ক্ষতস্থান পরিষ্কার করিয়া বোরিক কটন দিয়া বাঁধিয়া দেই, হাতের

রণক্ষেত্রে (পর্ব-২২)

আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ অপর লোকটি রাগত গলায় জবাব দিল, ‘মিশ্কারে খুঁজচি। আমাদের দু-জনার মতো চিনি দিয়েচে ওর ঠোঁয়ে, তা

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৫৮)

সুবোধ ডাক্তার সাত-আট দিন পরে শ্রান্ত-ক্লান্ত, অনিদ্রায় অবসন্ন অবস্থায় ডাক্তারবাবু গৃহে ফিরিতেন। ডাক্তার-গৃহিণী পাখার বাতাস করিতে করিতে জিজ্ঞাসা করিতেন, “এতদিন

রণক্ষেত্রে (পর্ব-২১)

আর্কাদি গাইদার তৃতীয় পরিচ্ছেদ গাঁয়ে ঢোকার পর প্রথম কুঁড়ে থেকে একটা চিৎকার শোনা গেল: ‘এই, এই, কোন্ চুলোয় মরতে ছুটেছিস?