০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বে জ্বালানি দামের শীর্ষ উত্থান: জীবনযাত্রার ব্যয় আবার বাড়ছে রোমান স্বর্ণ থেকে আজকের ডলার: ইতিহাসের শিক্ষাই কি ভবিষ্যতের বার্তা? ড্রোন স্বর্ম: যুদ্ধের নতুন যুগের সূচনা নাসার চন্দ্রভিত্তিক পরিকল্পনা: চীনের চেয়ে এগিয়ে মানব ইতিহাসে নতুন অধ্যায় চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যে ঝাঁঝালো অগ্রগতি বিশ্বকে চমক দিচ্ছে      পশ্চিমা বিশ্বে দেশ ত্যাগের হার বেড়ে গিয়েছে রেকর্ডভাবে ইউরোপ-আমেরিকা অর্থনীতি সংকটে: চরম সতর্কবার্তা দিলেন ক্রিস্টিন লাগার্দে শেল অয়েলের উল্লাসে আমেরিকার তেল শীর্ষস্থানীয়রা: যুদ্ধের মধ্যেও লাভের হাসি নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজারে জ্বালানি সংকটের ধস, বিক্রি অচল মার্চে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা: হত্যা ৪৭, ধর্ষণ ৫৭–উদ্বেগজনক চিত্র
সাহিত্য

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৫২)

সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে ইতিমধ্যে রেলস্টেশনের কুলিদের দুই-তিনজনের কলেরা হইল। আমি রাতের মতো স্টেশন-মাস্টারের ঘরে থাকি আর প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১৬)

আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ‘কী ব্যাপার? এত তাড়াতাড়ি ফিরে এলে?’ চোঁচিয়ে বললুম। ‘তারপর, খবরকী?’ ‘ওখানে কেউ নেই,’ দূর থেকেই মাথা

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৫১)

সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে রোগীর সেবা করিতে যাইয়া কত বিচিত্র রকমের লোকের সঙ্গেই না আমার পরিচয় হইয়াছে। ফরিদপুরের প্রসিদ্ধ উকিল মথুরবাবুর

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১৫)

আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ বলল, ‘এত তাড়া কিসের? সন্ধের পর কিংবা গোধূলির আলোয় গ্রামে ঢোকা বেশি সুবিধে। সৈন্যরা যদি না-থাকে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৫০)

সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে জেলখানার ঘড়িতে যখন রাত চারটা বাজিল তখন বাড়ির লোকেরা জাগিয়া উঠিল। বউটি ঘুমে-ভরা চোখ মুছিতে মুছিতে স্বামীর

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১৪)

আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ সঙ্গীটি এবার যেন স্বস্তির নিশ্বাস ফেললে। ‘তা, আগে এ সব কথা বল নি কেন?’ ও আবারও

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৪৯)

সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে বন্ধু-কুটিরে যাইতেই একজন দরজা খুলিয়া দিল। বাড়ির লোকেরা সত্যই আমার জন্য অপেক্ষা করিতেছিল। দেখিলাম, দুই-তিনজন লোক রোগীকে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১৩)

আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ আমার হাতের ছোট লাঠিটা মাটিতে পড়ে যাওয়ায় সেটা তুলতে নিচু হতেই দেখি ছোট্ট চকচকে কাঁ-একটা জিনিস

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৪৮)

সেবা-সমিতির সভ্য হিসাবে পড়বি তো পড়-পরিশেষে বাজানের চক্ষেই আমি আগে পড়িলাম। তিনি হাত ধরিয়া সেই ঝোপের ভিতর হইতে আমাকে টানিয়া

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১২)

আর্কাদি গাইদার দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ ধোঁয়ার গন্ধওয়ালা ঝল‌সানো হাঁসটাকে ছি’ড়ে টুকরো-টুকরো করে পরম তৃপ্তিতে ভোজ লাগালুম আমরা। আর বন্ধুর মতো দু-জনে