প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৫)
ভারতীয় একমাত্রার অনির্ণেয় সমীকরণ সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনা করেছেন এবং তিনি ক্যে’র মন্তব্যকে ধূলিসাৎ করেছেন। আর্যভটের এক মাত্রার সমীকরণ সম্পর্কে এন.
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৪৬)
প্যাটারসনের মন্তব্যে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাসস্থাপন না করিয়া, হেষ্টিংস সাহেব গুড়ল্যাডের কোন দোষ নাই বলিয়া তাঁহাকে অব্যাহতি দিলেন। তিনি এইরূপ প্রকাশ করিয়াছিলেন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-২৪)
সশস্ত্রবাহিনীতে যারাই যোগদান করেন তাদের সবাইকে পাটি ছাড়তে বলা হয়। আনাতোলের পছন্দের বিষয় ছিল “গাণিতিক পদার্থবিদ্যা” বা ম্যাথেমেটিকেল ফিজিক্স, কিন্তু
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৩)
এ পর্যন্ত নিম্নশিক্ষার বিষয় বলিতেছিলাম। পুনরায় উচ্চশিক্ষার কথা বলিতে প্রবৃত্ত হইলাম। গবর্ণর জেনেরল লর্ড মেও বাহাদুর দেশের উচ্চশিক্ষা উঠাইয়া দিতে
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৪)
মুঘল আমলে বাংলায় স্থাপিত তিন রাজধানী ঢাকা, মুর্শিদাবাদ এবং কলকাতার মধ্যে ঢাকা ছিল প্রাচীন। কয়েক বছর আগে পুরনো এক সাময়িকপত্রে
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৪)
ভারতীয় একমাত্রার সমীকরণ সম্পর্কে আধুনিক সমালোচকদের বিচার বিশ্লেষণ ভারতীয় ও বিদেশী গবেষকরা প্রথম আর্যভট, প্রথম ভাস্করাচার্য, ব্রহ্মগুপ্ত, শ্রীপতি, দ্বিতীয় আর্যভট,
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-২৩)
মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে চেকোস্লোভাকিয়া নামক ইউরোপের একটি দেশ মানচিত্র থেকে হারিয়ে যায়। অপরদিকে, মিউনিক চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স চেকোস্লোভাকিয়ার
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩২)
গ্রে সাহেবের পরে ১৮৭১ খ্রিস্টাব্দে স্যর জর্জ কাম্বেল সাহেব বাংলার লেপ্টনান্ট গবর্ণর হন। তিনি উচ্চ শিক্ষার বিরোধী ছিলেন, কিন্তু নিম্ন-শিক্ষার
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৩)
খানিকটা প্রকাশ করেছিলেন ভারতীতে-“কলিকাতার প্লেগ রেগুলেশন যে উগ্রমূর্তি ধারণ করিয়া উঠে নাই গোপালচন্দ্র যা উল্লেখ করেছেন দ্বিতীয় অধিবেশন সম্পর্কে তা
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৩)
লঘু-ভাস্করীয়ের ভান্তকার হিসাবে শঙ্করনারায়ণ, পরমেশ্বর প্রমুখের নাম স্মরণীয়। নারায়ণ পণ্ডিত (১৩৫০ খ্রীঃ) তাঁর গণিত কৌমুদী এবং বীজগণিতবতাংশ গ্রন্থন্বয়ে একমাত্রার সমীকরণ



















