পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৫)
বিদেশ হইতে কেহ কোন পুস্তকের আদেশ করিয়া মূল্য এবং পেকিং খরচ পাঠাইলে অবিলম্বে পুস্তক প্রেরিত হয়। ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত ‘পলাশির
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৬৫)
আরব জগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে বীজগণিতের ক্রমোন্নতিতে তাঁরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৬৪০ গ্রীষ্ট পূর্বাব্দে খেলিসের সময় থেকে গ্রীক
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৩২)
যখন দেবীসিংহ বুঝিতে পারিলেন যে, তাঁহার ঊর্দ্ধতন কর্মচারিগণ তাঁহার প্রতারণা বুঝিতে পারিয়াছেন, তখন তিনি তাঁহাদিগকে অনুনয়-বিনয়ে শান্ত করিতে চেষ্টা করিতে
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৪)
“এই পুস্তক ব্রাহ্মস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্রী অনাথ বন্ধু মৌলিক, দীননাথ সিংহ এবং শ্রী কৈলাশচন্দ্র মহাশয়গণের পুস্তকালয়ে বিক্রীত হয়।” প্রতিটি দোকানের
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৬৪)
প্রাচীন চীনাদের মধ্যে যাঁরা বীজগণিতের উদাহরণ বা তৎসংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করেছেন তান এবং সান কুও’র রাজত্বকালে এক মাত্রার সহসমীকরণের নির্দিষ্ট
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৩১)
সমস্ত সামগ্রীই পূর্ব্ব হইতে সংগ্রহ করিয়া রাখা হইত। কেবল যে বিলাস-দ্রব্যে তাঁহাদিগকে বশীভূত করিয়া রাখিতেন এমন নহে, যখনই তাঁহাদের অর্থের
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৩)
ভগ্নাবশেষ এখন দেখা যাবে চক মসজিদ কমপ্লেক্সের পিছে। মোগলটুলিতে গড়ে উঠেছিল স্বতন্ত্র আরেকটি বই বিক্রির এলাকা। ঢাকার আদি বইয়ের দোকান
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৬৩)
অনেক পণ্ডিত মনে করেন একহাজার গ্রীষ্টপূর্বাব্দেচীনে বীজগণিতের চর্চা ছিল। ইউফ্রেতিস ও তাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অর্ধচন্দ্রাকার স্থলভাগের অধিবাসী ব্যাবিলনীয়রা বীজগণিতের প্রথম
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৩০)
তাঁহারা সর্ব্বদা নর্তকীপরি-বেষ্টিত হইয়া আমোদপ্রমোদে বিভোর থাকিতেন, কখনও রাজকার্য্যে মনোনিবেশ করিতেন না। কিন্তু ইংরেজ ঐতিহাসিকগণ তাঁহাদের স্বদেশবাসী ও কোম্পানীর রাজত্বের
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬২)
বাঙালির খাবার হয়তো বলা যাবে। শহর যখন মেট্রোপলিটন হয়ে ওঠে তখন তা হয় মিশ্রণ, স্থানীয় বৈশিষ্ট্য তখন দ্রুত লোপ পায়।



















