পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৬৪)
হিতৈষী স্কুলে প্রতিদিন আমি আমার পিতার সঙ্গে স্কুলে যাইতাম। আমার পিতাকে আমার তখন এত ভালো লাগিত যে সর্বদা তাঁহার সঙ্গে
ইশকুল (পর্ব-৩৭)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ যাদের ইচ্ছে হয় লড়াই করুক, কিন্তু আমার কী দায় পড়েছে। আমি তো জার্মানদের কাছে কিছু ধারি
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৬৩)
সরিতুল্লা হাজী মেছের মোল্লার বাড়ির পাশেই ছিল সরিতুল্লা হাজীর বাড়ি। দুইধার তিনি মক্কা শরিফ যাইয়া হজ করিয়া আসিয়াছেন। বৃদ্ধ বয়সে
ইশকুল (পর্ব-৩৬)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ ‘অন্তত এখনও পর্যন্ত কিছু হয় নি,’ সৈনিকটি বললেন। ‘উনি আপনাদের শুভকামনা জানিয়েছেন আর আমাকে এই প্যাকেটটা
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৬২)
যাদব ঢুলি ঢোলের তালে তালে আবার উত্তর দিল, “আমি ঢেঁকি পারাই, ধামুর ধুমুর।” “আমার একটি কথা শুনিবে।” “কি কথা?” “একটু
ইশকুল (পর্ব-৩৫)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ মজা পাওয়ার ভঙ্গিতে সৈনিকটি আমার দিকে তাকালেন। তাঁর দুঃসহ, কিছুটা বিদ্রূপভরা চোখের দৃষ্টি আমাকে কেমন অপ্রস্তুত
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৬১)
যাদব ঢুলি মেছের মোল্লার জমি কিনিয়া বাঁশগাড়ি দখল লইবার সময় যাদব ঢুলি ও তার ভাই ঢোল বাজাইতে আসিল। ধামায় করিয়া
ইশকুল (পর্ব-৩৪)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ ঠিক চিঠি নয়, প্যাকেট বলা চলে। প্যাকেটটা বেশ ভারি দেখে অবাকই হলুম। তার আগে বাবা আমাদের











