প্রধানমন্ত্রী বদলালেই কি বদলায় রাষ্ট্র? ব্রিটেনের রাজনৈতিক অস্থিরতার গভীর সংকট
ব্রিটেন আবারও এক নতুন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত এক দশকে দেশটি ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ
রক্ষণ ভাঙার সব কৌশল ছিল, গোলটাই ছিল না: ঘানার কাছে কেন থমকে গেল ইংল্যান্ড
বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে এমন ম্যাচ প্রায়ই দেখা যায় যেখানে একটি দল বলের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বিস্তার করে, প্রতিপক্ষের অর্ধে অধিকাংশ সময়
সৌরঝড়ের আতঙ্ক কতটা বাস্তব, আর কতটা মোকাবিলা করা সম্ভব?
মানবসভ্যতার সামনে সম্ভাব্য বিপদের তালিকা করলে সাধারণত যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকির কথাই বেশি শোনা যায়। সৌরঝড়
ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ব রাজনীতি: শক্তির দম্ভ থেকে কূটনীতির সম্ভাবনার দিকে?
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল দ্রুত সাফল্যের প্রত্যাশা নিয়ে। কিন্তু যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাতের যে পরিণতি ঘটেছে, তা ওয়াশিংটনের
বাংলাদেশের ভারসাম্যের কূটনীতি: দিল্লি না বেইজিং?
চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানে সোমবার রাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেওয়া লালগালিচা সংবর্ধনা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, এর পেছনে
শহরের রেলপথে ইতিহাসের চলমান পাঠশালা
বিশ্বের অনেক শহরেই গণপরিবহনকে কেবল যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু কিছু নগর এমনও আছে, যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা শহরের স্মৃতি,
মস্তিষ্কের ব্যায়াম ছেড়ে দেবেন না: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আমাদের চিন্তার ক্ষমতা কেড়ে নিচ্ছে?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু প্রযুক্তির সীমায় আবদ্ধ নয়। এটি শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, সৃজনশীলতা এবং মানবিক দক্ষতার ভবিষ্যৎ নিয়ে
নতুন মধ্যপ্রাচ্যের সন্ধিক্ষণ: ইরানে শাসনব্যবস্থা বদল নাকি পুরোনো ব্যবস্থার পুনর্জন্ম?
নতুন করে ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির যে অধ্যায় শুরু হয়েছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে একটি মৌলিক প্রশ্ন: বর্তমান ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে কি
উদ্ভাবনের পরের ধাপ: কেন এখন প্রযুক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তার বিস্তার
বিশ্ব অর্থনীতিতে উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সবুজ জ্বালানি, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি কিংবা ডিজিটাল রূপান্তর—গত এক দশকে এসব
অভিবাসীদের নিয়ে পুরোনো ভয়, নতুন রাজনীতি: আমেরিকার আত্মপরিচয়ের বিতর্ক
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই বিতর্কের একটি পরিচিত স্লোগান আবার সামনে এসেছে—“আমেরিকায় থাকতে


















