০৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
বিসিআই চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করলো ককরোচ জনতা পার্টি স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি হাইকোর্টসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি যুদ্ধ শেষ হলেও ইরানের হুমকি কাটেনি, তুরস্ক থেকে গোপনে সরানো হয়েছিল ট্রাম্পকে ডারউইন টেস্টে তানজিদের প্রথম সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ ৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার সিলেটে হামসদৃশ উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ নানদেদে সুখবীর সিং বাদালকে হামলা, ষাটোর্ধ্ব নিহাং সেবাদার আটক ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচারের শিকার তিন বাংলাদেশি নারী মাগুরায় সবজি বিক্রি করে ফেরার পথে নসিমনচালককে চাপা দিয়ে হত্যা মানসিক রোগ কি বংশগত? জেনেটিক পরীক্ষা নিয়ে পরিবারগুলোর ভুল ধারণা ভাঙছেন বিশেষজ্ঞরা
সাহিত্য

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২২০)

দীনেশচন্দ্র তাঁহাকে প্রায় সব সময়েই কোনো কিছু লিখিতে দেখা যাইত। লোকজনের সঙ্গে তিনি কথাবার্তা বলিতেন, আবার সেই সঙ্গে তিনি বই

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৪)

বুলু ও চড়ুই শীতের এক সুন্দর বিকেলে পাশের ঘর থেকে আনু ডাক দেয়, ‘বুলু! আই বুলু, বুলটি- জ-কুঁচকে দরোজার দিকে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৯)

দীনেশচন্দ্র দীনেশবাবু বলিলেন, “সবুর কর। আমি পুস্তকের উপর যে বিস্তৃত সমালোচনা লিখব তা পড়ে অনেকেই এই পুস্তকের আদর করবে।” ইহার

স্মরণে রামেন্দ্র সুন্দর

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ১৯১৪ সালে সাহিত্য পরিষদে রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদীর সংবর্ধনার অভিনন্দনে লিখেছিলেন, ‘সর্বজ্জনপ্রিয় তুমি, মাধুর্য্যধারায় তোমার বন্ধুগণের চিত্ত-লোক অভিষিক্ত করিয়াছ।

প্রেমিক কখনও বেজন্মা হয় না

তুমি কেন এসে সামনে দাঁড়ালে আমার নিজে হাতে গুছিয়ে দিয়েছিলে আমাকে বনপথের শেষ প্রান্তে খালের পাড়ে এসেছিলে তুলে দিতে নৌকায়।

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৮)

দীনেশচন্দ্র যখন আমি বি, এ, ক্লাসের ছাত্র তখন দীনেশবাবু আমাকে লিখিলেন, “তোমার সেই ‘কবর’ কবিতাটি নকল করে পাঠাও। আমি ‘ম্যাট্রিক

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৭)

দীনেশচন্দ্র আমার কবিতার খাতাখানা তখন আমার সঙ্গেই ছিল। আমি আর স্থির থাকিতে পারিলাম না। কবিতার খাতাখানা দীনেশবাবুর সামনে আগাইয়া ধরিয়া

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৬)

দীনেশচন্দ্র ইহার পর দীনেশবাবু ডাঃ শহীদুল্লাহ্ সাহেবের সঙ্গে কথা বলিতে লাগিলেন। আমি পথে আসিয়া অবাক হইয়া ভাবিতে লাগিলাম, আমি তো

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৫)

দীনেশচন্দ্র কিছু গ্রাম্য গান সংগ্রহ করিয়াছিলাম। পরলোকগত যতীন্দ্রমোহন সিংহ মহাশয় সেগুলি পড়িয়া বলিলেন, “তুমি দীনেশবাবুর সঙ্গে দেখা কর। ময়মনসিংহের গ্রাম্য

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২১৪)

শরৎ-সন্নিধানে আমি এ কথার প্রতিবাদ করিলাম, “মুসলমান সমাজের প্রতি সে যুগের হিন্দু সাহিত্যিকেরা কম আক্রমণ করেন নি। তাঁরা অনেকেই মুসলমানদের