এ নাম্বারে ফোন দিও
বড় উদাস ছিল সে হাওয়া— যখন রাজলক্ষ্মী প্রতিদিন হেঁটে ফিরত তার মাসির বাড়িতে ওই পথে ওই সময়ে কলেজের সব কাজ
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫২)
অচল সিকি জেবুন্নেসা বললে, ‘এতো সিরিয়াস হচ্ছো কেন? এমনিই বললাম-‘ চা-বিস্কুট বাবদ আট আনা হলো ওদের। এনামুল দিতে যাচ্ছিলো, জেবুন্নেসা
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫১)
অচল সিকি কথা বলতে বলতে বুড়োর গলা ধরে এলো। পাতলা ছানি পড়া চোখে ওদের দিকে তাকিয়ে রইলো। আট বছরের মেয়ে,
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫০)
অচল সিকি বুড়ো ফোকলা গালে মাড়ি চিতিয়ে শিশুর মতো ফিক করে হাসলো। তারপর সে অনেক কথাই বললে, যে কথার সব
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৯)
অচল সিকি যে রাস্তা ধরে তারা এতোক্ষণ দ্রুত পায়ে হাঁটছিলো এবার সে প্রাচীন অশথ গাছের বীথি ঘেঁষে ধনুকের মতো বাঁক
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৮)
অচল সিকি শালবন পার হয়ে ওরা এইবার সরু পিচের রাস্তায় উঠলো। দুপুরের রোদ ধু ধু করছে। কাঠ কুড়োনো রোদে ঝলসানো
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৭)
অচল সিকি ‘তবু যদি তোমার মতো আবলুস কাঠ হতাম।’ খিলখিল করে হাসতে হাসতে জেবুন্নেসা ওর গায়ের ওপর ভেঙে পড়লো, ‘তোমাকে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৬)
অচল সিকি তোমার মতো মুরোদের মানুষ গাঁ-গেরামের কুমড়ো ক্ষেতে কতো কাত হয়ে পড়ে আছে, দেখোগে-‘ ‘আমার মতো মাসে দেড়শো টাকার
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৫)
অচল সিকি ‘এটা মনগড়া কথা! বিয়ে করার কোনো দরকারই আমার হতো না। তুমি তো জানোই, বন্ধুমহলে চালাক বলে আমার কিছুটা
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৮)
অষ্টম পরিচ্ছেদ ‘ওহে, তোমার চাবুকখান দাও দিকি,’ কালো দাড়ি একজন গাড়োয়ানকে চিৎকার করে বলল। লোকটা তার ঘোড়ার মাথার কাছটাতে ভয়ে-ভয়ে



















