প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৪)
অচল সিকি কতো বয়েস এই সূর্যের? অদ্ভুত অদ্ভুত সব কথা মনে হয় জেবুন্নেসার। ময়নামতীর গায়ে কালজয়ী ঘুম; পাহাড়গুলো স্তব্ধ, এসব
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৭)
অষ্টম পরিচ্ছেদ তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স’টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৬)
অষ্টম পরিচ্ছেদ আরও আধঘণ্টা চুবুককে পাহারা দিয়ে বসে রইলুম। কিন্তু একছুটে নিচে নেমে গিয়ে নদীতে একটা ডুব দিয়ে আসার ইচ্ছেটা
কঙ্কালসার হেমন্ত
তোমাদের সব কবিতা লেখা হয়ে গেলে আমার আর কোন শব্দ থাকবে না- এই শব্দহীন আমি নীরবতার কাছে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৩)
অচল সিকি এনামুল প্রায় আঁতকে উঠলো। ওর মুখের দিকে তাকিয়ে রুক্ষ গলায় জিজ্ঞেস করলো, ‘কি বললে?’ ‘সেই অচল সিকিটার সৎকার
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৫)
অষ্টম পরিচ্ছেদ এর প্রায় মিনিট দশেক পরে আমরা যে-ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে পড়েছিলুম তার পাশ দিয়ে চারজন ঘোড়সওয়ার ঘোড়া ছুটিয়ে বেরিয়ে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪২)
অচল সিকি ‘এই যে আমার কোনো বাচ্চাকাচ্চা হচ্ছে না, ভেতরে ভেতরে তুমি নিশ্চয়ই- বাধা দিয়ে এনামুল বললে, ‘ব্যস্ ব্যস্ ব্যস্’
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৪)
অষ্টম পরিচ্ছেদ ‘না-না, ও নিয়ে ব্যস্ত হয়ো না,’ বৃদ্ধও জিদ ধরে বলতে লাগল। আর হাঁকুপাঁকু করে গেলাসটা ঠেলে সরিয়ে দিতে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪১)
অচল সিকি এনামুল উঠে দাঁড়িয়ে বললে, ‘নানামিয়া তাহলে চলি, আবার যদি আসি তাহলে, নিশ্চয়ই এখানে চা খাবো-‘ ‘আল্লা ভরসা-‘ হাঁটতে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৩)
অষ্টম পরিচ্ছেদ গৃহকর্তা এক সময়ে পাশের ঘরে গেল। এ-ঘর থেকে আমরা দেরাজের টানা খোলার আওয়াজ পেলুম। ‘মজার বুড়ো,’ ফিসফিস করে



















