প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫০)
অচল সিকি বুড়ো ফোকলা গালে মাড়ি চিতিয়ে শিশুর মতো ফিক করে হাসলো। তারপর সে অনেক কথাই বললে, যে কথার সব
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৯)
অচল সিকি যে রাস্তা ধরে তারা এতোক্ষণ দ্রুত পায়ে হাঁটছিলো এবার সে প্রাচীন অশথ গাছের বীথি ঘেঁষে ধনুকের মতো বাঁক
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৮)
অচল সিকি শালবন পার হয়ে ওরা এইবার সরু পিচের রাস্তায় উঠলো। দুপুরের রোদ ধু ধু করছে। কাঠ কুড়োনো রোদে ঝলসানো
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৭)
অচল সিকি ‘তবু যদি তোমার মতো আবলুস কাঠ হতাম।’ খিলখিল করে হাসতে হাসতে জেবুন্নেসা ওর গায়ের ওপর ভেঙে পড়লো, ‘তোমাকে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৬)
অচল সিকি তোমার মতো মুরোদের মানুষ গাঁ-গেরামের কুমড়ো ক্ষেতে কতো কাত হয়ে পড়ে আছে, দেখোগে-‘ ‘আমার মতো মাসে দেড়শো টাকার
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৫)
অচল সিকি ‘এটা মনগড়া কথা! বিয়ে করার কোনো দরকারই আমার হতো না। তুমি তো জানোই, বন্ধুমহলে চালাক বলে আমার কিছুটা
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৮)
অষ্টম পরিচ্ছেদ ‘ওহে, তোমার চাবুকখান দাও দিকি,’ কালো দাড়ি একজন গাড়োয়ানকে চিৎকার করে বলল। লোকটা তার ঘোড়ার মাথার কাছটাতে ভয়ে-ভয়ে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৪)
অচল সিকি কতো বয়েস এই সূর্যের? অদ্ভুত অদ্ভুত সব কথা মনে হয় জেবুন্নেসার। ময়নামতীর গায়ে কালজয়ী ঘুম; পাহাড়গুলো স্তব্ধ, এসব
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৭)
অষ্টম পরিচ্ছেদ তাড়াহুড়ো করে ট্রাউজার্স’টা কোমরে টেনে তুলে টিউনিক পরতে শুরু করলুম। যত তাড়াতাড়ি পারি ওই জায়গা থেকে পালিয়ে যাওয়াই
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৬)
অষ্টম পরিচ্ছেদ আরও আধঘণ্টা চুবুককে পাহারা দিয়ে বসে রইলুম। কিন্তু একছুটে নিচে নেমে গিয়ে নদীতে একটা ডুব দিয়ে আসার ইচ্ছেটা



















