‘ইফ ইউ লাভ ইট, লেট ইট কিল ইউ’ – হানাহ পিটার্ড
প্রাক্তন স্বামী, একজন বেঈমান বন্ধু ও একদল লেখক: একটি সম্পর্ক থেকে উপন্যাসে রূপান্তর সাহিত্যিক কলহের সবচেয়ে মজার দিকটি তুলে ধরেছেন মার্কিন
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪০)
অচল সিকি এনামুল জেবুন্নেসার কানে প্রায় মুখ দিয়ে বললে, ‘বিস্কুট খাওয়া যাক, কি বলো?’ ‘একদম বাজে।’ ‘বাজে মানে জানো, এর
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৯)
অচল সিকি যে মেয়েটা মরেছে, সে দিকের-ও কেউ নেই। মেয়েটার বিয়ে হয়েছিল আট বছর বয়সে। বারো বছরে পড়তে না পড়তে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৮)
অচল সিকি এনামুল বললে, ‘একগ্লাস ঠাণ্ডা পানি হবে নানামিয়া?’ এতোক্ষণ লক্ষ্য করেনি বলে চমকে উঠলো বুড়ো। ‘বহেন বাপ বহেন, পানি
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৭)
অচল সিকি এদিককার রাস্তাগুলো জনপ্রাণীশূন্য। এখানে সেখানে দু’একটা শালশিমুল দম বন্ধ করে থমকে দাঁড়িয়ে আছে। মাঝে মাঝে এক একটা মিলিটারি
খোকার লাঠি
খোকার হাতে লাঠি ছিলো পাগড়ি ছিলো না মাথায়- মা ছিলো তার কুমড়ো ফুলের বড়া নিয়ে কড়াই পানে চেয়ে – সেদিকেই তাকাইনি
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৬)
অচল সিকি ‘আহারে! তবু যদি রাজধানীতে সাহেবের গাড়ি-বাড়ি আর দু’দশটা দাসী- বাঁদী থাকতো!’ ‘তা না থাকুক, তুমি তো আছো। দু’দশটা
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৫)
অচল সিকি ‘তবু যদি তোমার মতো আবলুস কাঠ হতাম।’ খিলখিল করে হাসতে হাসতে জেবুন্নেসা ওর গায়ের ওপর ভেঙে পড়লো, ‘তোমাকে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৪)
অচল সিকি ‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘ ‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’ ‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’ ‘কেন, মারবে নাকি?’ ‘শুধু বাজে কথা, শুধু
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৩)
অচল সিকি ‘তুমি তো কম ছ্যাবলা নও!’ ‘ছ্যাবলামির কি দেখলে এতে। অল্প-স্বল্প একটু মেদের টাচ থাকলে মন্দ হয় না, গাবুস-গুবুস



















