রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০৩)
দশম পরিচ্ছেদ ‘আর এর গতি কী করব?’ ‘এটার? গুলি করে দিতে পারেন। না, থাক। ভাবছি, আমি ফিরে না আসা পর্যন্ত
ড্যান ব্রাউনের নতুন বই নিয়ে বিশ্লেষণ
নতুন বইয়ের সূচনা ড্যান ব্রাউনের সর্বশেষ উপন্যাস ‘দ্য সিক্রেট অব সিক্রেটস’-এর প্রথম পাতাতেই ঘোষণা করা হয়েছে—“সব শিল্পকর্ম, প্রতীক, নথি বাস্তব”,
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০২)
দশম পরিচ্ছেদ দুম করে আরেকটা আওয়াজ হল। তারপর একটা টুল সরানোর আওয়াজ। ফের শুরু হল গম্ভীর গলার সেই টেনে-টেনে কথা:
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০১)
দশম পরিচ্ছেদ এবার চুবুকের গলা কানে এল: অবস্তা এর চেয়ে আর কী খারাপ হবে, কাজেই আমি মিথ্যে ধানাই-পানাই করতি যাবই-বা
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০০)
দশম পরিচ্ছেদ ‘যাই, এখুনি উঠে বাইরে যাই,’ বলতে-বলতে খড়ের বিছানায় উঠে বসলুম আমি। ‘কিন্তু বাইরে গিয়ে কী বলব?’ সেই মুহূর্তে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৯৯)
দশম পরিচ্ছেদ চামড়ায়-মোড়া একটা তাকিয়ায় মাথা গাঁজে চুপচাপ পড়ে রইলুম আমি। ‘কী করা যায় এখন? কী করে বাঁচাই চুবুককে? ও’কে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৯৮)
নবম পরিচ্ছেদ সে এক যন্ত্রণাদায়ক মুহূর্ত। তখন সমস্যা দাঁড়াল, অবাক হয়ে গিয়ে চোখমুখের কোনো ভঙ্গি কিংবা কথা বলে ওঠার মধ্যে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৯৭)
নবম পরিচ্ছেদ শুনে আমার আধখোলা হাঁ-মুখে ভারেনিক হিম হয়ে গেল যেন, আর থপ করে মুখ থেকে প্লেটে পড়ে গেল ওটা।
চল না নদী হই
চল না নদী হই আমরা সকলে মিশে যাই সাগরে- যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান তারা না হয় থাকুক- নিরাপদ




















