কিছুই হয় নাই
যন্ত্রী বন্ধ করো শব্দ- পর্দা সরে যাক, সরে যাক চোখেরও। দেখুন সবাই আসছেন নাটকের সকল কুশীলব। মাথা নত কর সবাই।
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৯১)
নবম পরিচ্ছেদ চিন্তাটা বারবার মনের মধ্যে তোলাপাড়া করে শেষপর্যন্ত আমি এই নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছলুম যে এরকম কোনো চিহ্ন বা লক্ষণ
একটা লাশের গল্প
(সম্প্রতি প্রখ্যাত সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর মর্মান্তিক প্রয়াণ স্মরণে। ) আমৃত্যু সত্যের জন্য যে-নির্ভীক কলম সেবক নিরপেক্ষ অক্ষরের
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৯০)
নবম পরিচ্ছেদ ‘সত্যিই আর কোনো পথ নেই কি? ইস্, এইভাবে বোকার মতো ধরা পড়া! হয়তো আমি পালাতে পারব? না, পালানো
ভালোবাসা নেই, শুধু বিষ আছে
ক্ষতটা বড় বেশি হয়ে গেলো— বাড়িটা ভাঙার পরেও খুঁড়ে ফেলা হলো— বড় বেশি মিথ্যে বললে তুমি— প্রতারণাকে করলে সব থেকে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৮৯)
নবম পরিচ্ছেদ অত ভোরে রাস্তায় কোনো সেপাই দেখা যাচ্ছিল না সম্ভবত তারা তখনও ঘুমোচ্ছিল। গ্রামের গির্জে’র বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল কয়েকখানা
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৯)
বুলু ও চড়ুই ‘বুলুমণি, বুলুপা, আপামণি- বোঝা যায় উঠে আসছে। বুলু বিব্রত বোধ করে। হুড়মুড় করে ঘরে ঢোকে আনু, ‘দেখে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৮)
বুলু ও চড়ুই তিন সপ্তাহ পরে তিনি যখন ফিরে এলেন তখন আর তাঁকে চেনা যায় না। পাগলের মতো লণ্ডভণ্ড চেহারা।
অবিনাশী উপহার
ঝড়ে ও ঝঞ্ঝায় গেরিলা ভঙ্গিতে এ কেমন অন্ধকার ওতপেতে আছে ! তবু পাতার আড়াল থেকে আতঙ্কের জামা গায়ে বেরিয়ে এসেছে
প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৭)
বুলু ও চড়ুই ‘বাব্বাহ্। কতো টান ওনার আমাদের জন্যে।’ ‘কি জানি, বুঝতে পারি না কিছুই। মনস্থির ক’রে উঠতে পারি না



















