দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-২৯)
শেখার জন্য মার্কিন সৈনিকরা খুব উঠে পড়ে লেগে যান। সেতুর ওপারে জেলা অফিসের পাশ ঘেঁষে চলে গেছে “জি ঘোষ লেইন”
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -৩৬)
রাজসাহী প্রদেশ মৎস্য দেশের অন্তর্গত। এই মৎস্য দেশের রাজা বিরাট ছিলেন। তাহার রাজধানী বিরাটনগর, উত্তরবঙ্গ রেলওয়ে স্টেশন পাঁচবিবি হইতে প্রায়
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১০০)
এটি আমার ইচ্ছা এবং আমার নির্দেশ সম্প্রদায়ের প্রতি যাতে দ্রুত এ ইচ্ছা পুরণ করা হয় দীপাবলির আগে তা আমার কাছে
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৯)
নির্গত হইয়াছে শেষ যাহা হইতে তাহা নিরগ্র। অর্থাৎ অন্যের অপেক্ষিত নহে। যেন হতোহয় মনেন এতদুক্তং ভবতি-কস্মিংশ্চিদ্রাশাবনেন হৃ (? হ) তেইনেনাপজ-তেহয়কায়ফ
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৫১)
এক্ষণে বাহাদুর সিংহের বংশী-য়েরা তাঁহার জমিদারীর অধিকারী। বাহাদুর সিংহের তৃতীয় পুত্র রাজা উদ্বন্ত সিংহ দেবী সিংহের কলঙ্ক মোচন করিয়া, দেশমধ্যে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-২৮)
ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন সৈনিকের কেউ একজন হয়তো সাতসকালে প্লেনে করে চলে যেতেন সোজা চুংকিং-এ প্রফেসর করিম জোর দিয়ে বলেন যে
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৯)
তাঁর অনুমান এটি পালকি যা ঢাকা থেকে আগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাটনা পাঠানো হয়েছিল। পরের চিঠিটি ১৬৯১ সালের। গুরুকে দেখতে
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৯৮)
তিনি সাগ্র ও নিরগ্র এই দুই ধরণের কুট্টকারের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন নিরগ্র কুট্টাকার (Nonresidual Pulveriser) সম্পর্কে প্রথম ভাস্করাচার্য্য
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৫০)
এইরূপ অনেক অত্যাচার প্রকাশ পাইয়াছিল। দেবীসিংহ যেরূপ লোমহর্ষণ অত্যাচার করিয়াছিলেন, তাহাতে তাঁহার কিছুমাত্র দণ্ড হয় নাই। তিনি যে অপরিমিত সম্পত্তি
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-২৭)
সেখানেও হানা দেয় এবং ৫ এপ্রিল কলোম্ব বন্দরে নোঙর করে রাখা দুটি ব্রিটিশ যুদ্ধ জাহাজ ডুবিয়ে দেয়। ১৯৪২ সালের এপ্রিল



















