রণক্ষেত্রে (পর্ব-৪০)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ অবাক হয়ে আমি ভাস্কার দিকে তাকিয়ে ছিলুম। ওর বোকাটে লাল মুখখানা আর আনাড়ির মতো নড়াচড়ার ভঙ্গি
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩৯)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ গাছের ঝলমলে সবুজ পাতায় তখন ফুটন্ত পাখি-চেরিফুলের গন্ধ। বিশ্রাম পাওয়ায় আমাদের বাহিনীর লোকজনেরও বেশ হাসিখুশি ভাব।
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩৮)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ এক সময় চুবুক থামলেন। তারপর তামাকের থলি বের করে পাইপটায় মাখোরকা ভরতে শুরু করলেন। লক্ষ্য করলুম,
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩৭)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ কী হল? ছোড় শিগগিরি!’ চুবুক চেচিয়ে উঠলেন। তারপর উচু-করে-ধরা আমার হাত থেকে বোমাটা ছিনিয়ে নিয়ে সেফটি
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৮০)
বড়ু ওরা গরিব। কতই অসহায়। কুৎসার হাত হইতে ওরা নিজেদের রক্ষা করিতে পারিবে না। সেদিন চলিয়া যায়। তার পরের দিনও
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩৬)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ তারপর ধমকে উঠলেন আমায়, ‘ওর ঠ্যান্ড দুটা ধরতি পার না?’ তবু আমার ন-যযৌ-ন-তস্থৌ ভাব দেখে ফের
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৭৯)
বড়ু আহা। এই স্বপ্ন কি আমার জীবনে সফল হইবে কখনও? একদিন বস্তু বলিয়াছিল, “ভাই ওসব কথা বলিবেন না। ওসব শুনিলে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-৩৫)
আর্কাদি গাইদার পঞ্চম পরিচ্ছেদ হঠাৎ আমার ডানদিকে একসঙ্গে অনেকগুলো পায়ের শব্দে ফিরে তাকাতে বাধ্য হলুম। দেখলুম, আগের সেই অশ্বারোহী বাহিনীটা
পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-১৭৮)
বড়ু আমি তো বউ মানুষ। এই আম কোথায় বসিয়া খাইব। করিলাম কি জঙ্গলের মধ্যে যাইয়া আমগুলি খাইয়া হাত-মুখ গাছের পাতায়










