স্যাটানট্যাঙ্গো: এক অন্ধকার নৃত্য
বিশ শতকের শেষভাগে যখন ইউরোপ জুড়ে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ভেঙে পড়ছিল, তখন হাঙ্গেরির এক গ্রামীণ প্রান্তে লাস্লো ক্রাসনহরকাই লিখেছিলেন এমন এক উপন্যাস, যা
একটি নতুন কবিতা শোনার জন্যে
আজকাল এক খন্ড ভাঙ্গা ইট, এক মুঠো মাটি আমার সব থেকে বেশি ভালো লাগে— যেমন একদিন ভালো লেগেছিলো, তোমার কিশোরী মুখ।
যাপনের মুহূর্তগুলো
(ভাষাসৈনিক,কবি আহমদ রফিক স্মরণে) কী নির্মম ছিল যাপনের মুহূর্তগুলো!আমি সব দেখতে/ পেতাম কিন্তু বর্ণনার কোন সুযোগ ছিল না!আমাকে/ দেখার মত
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০৯)
দশম পরিচ্ছেদ আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলুম সেখান থেকে মাত্র বিশ হাতের মধ্যে পাঁচজন সেপাই রাইফেল কাত করে তুলে একজন লোকের
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০৮)
দশম পরিচ্ছেদ সান্ধ্যপ্রার্থনার জন্যে গির্জের ঘণ্টা বাজতে শুরু করলে কসাকটা তার তরোয়াল চালানো অভ্যেস করা বন্ধ করলে। গরম-হয়ে-ওঠা তরোয়ালের ফলাটা
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০৬)
দশম পরিচ্ছেদ সূর্য তখনও ছিল আকাশের অনেক ওপরে, কিন্তু আমি আর স্থির হয়ে বসে থাকতে পারছিলুম না। আমার চারপাশে যে-প্রস্তুতিপর্ব
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০৫)
দশম পরিচ্ছেদ অন্ধকার ঘরটায় হঠাৎ-হঠাৎ এক-এক ঝলক আলো চমকিয়ে দিয়ে বন্দীর দৃষ্টি আকর্ষণ করব, এই ছিল আমার আশা। আর, দেখা
চরণ দাস চোর
চরণ দাস চোর এখন মস্ত বড় মানুষ দেশ নয় শুধু, বিদেশেও যায় বুক ফুলিয়ে- তার সঙ্গে ঢুলি হয়ে ঢোল বাজিয়ে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১০৪)
দশম পরিচ্ছেদ ঘর থেকে বাইরে এলুম। মুখ থেকে চোখের জলের দাগ ধুয়ে ফেলতে একহাতা ঠান্ডা জল ঢাললুম মাথায়। পরিচারক আমাকে




















