রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৬)
(১) নওগাঁ-১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে এই স্থানে একটি মহকুমা স্থাপিত হয়। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। এই স্থান উত্তরবঙ্গ রেলওয়ের সুলতানপুর স্টেশন হইতে
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৫)
১৮৯১ খ্রিস্টাব্দের জনসংখ্যায় রাজসাহী জেলায় ৫,২১৯ নগর ও গ্রাম ছিল। দিনাজপুর জেলায় মহাদেবপুর থানার অন্তর্গত ৪৪৪ গ্রাম রাজসাহী জেলার নওগাঁ
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৪১)
সামান্য পিপীলিকাকে পদদলিত করিলে সেও দংশন করিতে উদ্যত হয়। সুতরাং সেই সমস্ত ভীষণ অত্যাচারে জর্জরিত হইয়া উত্তরবঙ্গের প্রজাগণ ঘোর বিদ্রোহের
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৪)
১৮৯১ খ্রিস্টাব্দের জন সংখ্যায় ধর্মানুসারে রাজসাহীর মনুষ্যদের যেরূপ বিভাগ করা হইয়াছে, তাহা নিম্নে দেখান যাইতেছে। পর্বের তালিকায় ইহা প্রতিপন্ন হইতেছে
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৪০)
কাহিনী বা উপন্যাসে এরূপ ভয়ানক কাণ্ড কেহ কখন শুনে নাই বলিয়া অনুমান হয়। হায়, দেবীসিংহ। যেরূপ অত্যাচারে তুমি সমগ্র উত্তরবঙ্গ
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২৩)
(১) তিলি-তিল শস্য বিক্রেতাকে আদিতে তিলি জাতি বলিত। এক্ষণ ব্যবসায়ী জাতিকে তিলি বলে। রাজসাহীতে পাঁচুপুর, গোবিন্দপুর, হাতিয়ানদহ, আড়ানী, মালঞ্চি প্রভৃতি
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৩৯)
যে দেশের রমণীগণ অতি নিরীহভাবে আপনাদিগের ক্ষুদ্র সংসার-জগতে নীরবে দিন কাটাইয়া থাকে, যাহারা সামান্য সূর্য্যোত্তাপে ক্লান্ত হইয়া পড়ে, সেই কোমল
রাজসাহীর ইতিহাস (পর্ব -২২)
৬। নবশাখ বা নবশায়ক-শূদ্রজাতি নয় শাখায় বিভক্ত বলিয়া এই জাতির নাম নবশাখ হয়। তিলি, মালি, তামুলি, গোপ, নাপিত, গোছালি, কামার,
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৩৮)
কখন কখন বা পিতাপুত্রকে একত্র রজ্জুবদ্ধ করিয়া, গাত্রে একসঙ্গে বেত্র ও যষ্টির আঘাত পড়িত; পিতা যাহাতে পুত্রের অঙ্গে আঘাত না
মুর্শিদাবাদ-কাহিনী (পর্ব-৩৩৭)
আমরা এতক্ষণ সাধারণ অত্যাচারে কথা বলিতেছিলাম; এক্ষণে দেবীসিংহের উদ্ভাবিত অত্যাচারের কতিপয় দৃষ্টান্ত দেখাইতেছি। দেখিবেন, এরূপ পাশবিক অত্যাচার কখনও সম্ভবপর কি



















