প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৫৪)
‘পুব্বাহুপুব্বি হেট্টা সময়াভেএণ কুণজহাজেট্টং উপরিমতুল্লং পুরত্ত নসেজ্জ পুব্বতমো সেসে। এই শ্রেণীতে প্রথম পদ এক, সাধারণ বৃদ্ধি এক এবং পদসংখ্যা ছয়।
হিউএনচাঙ (পর্ব-১৬১)
নিজ হাতে বহু পুঁথির চৈনিক ত্রিপিটকে হিউএনচাঙ কর্তৃক অনূদিত অনুলিপি করেন। পঁচাত্তর খানা গ্রন্থ আজও আছে। চাং-আনের কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫৩)
বিশ শতকের ঘাট দশকেও আবেদ অ্যান্ড কোং ছিল ঢাকার এ ধরনের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান। … অদ্য ঢাকা নগরী একটি প্রধান
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৫৩)
এ ব্যাপারে গাণিতিক সূত্রাদি অনুযোগদ্বারসূত্রেই দেখতে পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে বিখ্যাত ভাষ্মকার এবং গণিতবিদ ভট্রোৎপল এ সম্পর্কে একটি উদাহরণ
হিউএনচাঙ (পর্ব-১৬০)
হিউ এনচাঙ শুধু হাতে আসেন নি। কুড়িটি সুসজ্জিত অশ্বে তাঁর আনীত দ্রব্যগুলি জাঁকজমকে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। বৌদ্ধ ধর্মে
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫২)
উপকৃতা রমণীগণ স্বীয় শিশক্রোড়ে করিয়া রাজপথের এক পাশে দণ্ডায়মান। হইয়া হাপিত্যেশ করিতে লাগিল। “তাঁহার লোকান্তর গমনে ঢাকার ছোটবড় সকলেই দুঃখিত
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৫২)
প্রকোষ্ঠের পাশাপাশা প্রকোষ্ঠদ্বয়ের সংখ্যাছটির যোগফল বসাও। এইভাবে অগ্রসর হও। এটি এত সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কথা যে সাধারণ মানুষ এটির
পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫১)
১৮৬১ সালে রোগীর সংখ্যা ছিল ৯২৩৮ জন। এই উদাহরণই এর পরিবৃদ্ধি তুলে ধরে।’ ডা. সিম্পসন ঢাকার আধুনিক চিকিৎসার সঙ্গে জড়িয়ে
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৫১)
তিনশত খ্রীষ্টপূর্বে পিঙ্গল। বিভিন্ন অক্ষর থেকে এক যোগে একটি, দুটি…… সুক্রতের ৬৩ তম অধ্যায় অর্থাৎ রসবেদ বিকল্পধ্যায়ের একজায়গায় বলা হয়েছে-ছয়টি
হিউএনচাঙ (পর্ব-১৫৯)
পিতামাতার প্রতি তাঁর সভক্তি ব্যবহারের কাহিনী আজও প্রচলিত আছে। মন্ত্রীরা নির্ভীক ভাবে তাঁর রাজকার্যের সমালোচনা করতেন। স্বদেশে-অবশিষ্ট জীবন ভারতবর্ষের সম্রাট



















