১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
২০২৭ সালে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার, কমছে বাজেট ঘাটতিও চীনে ভক্সওয়াগেনের ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনায় নতুন শঙ্কা, কমছে বিক্রি ডানপন্থী উত্থানে এশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাইল্যান্ডে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নতুন উদ্যোগ, তবু বড় প্রশ্নে অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতা রেকিয়াভিকে ‘যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’: পারমাণবিক অস্ত্র বিলোপের স্বপ্নে রিগ্যান-গর্বাচেভ গ্যাস সংকটে হবিগঞ্জে ১৭১ কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লক্ষাধিক শ্রমিক কুষ্টিয়ায় বালুবাহী যান পদ্মায়, নিখোঁজ ৮ বছরের শিশু ১৫ আগস্ট ঘিরে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা, মাঠে ডিএমপির বিশেষ ইউনিট নেপালের নতুন রাজনৈতিক তারকার আলো কেন ম্লান হয়ে আসছে সেন্ট্রাল পার্কে শেক্সপিয়রের ‘শীতের কাহিনি’, পুরোনো আবহে নতুন মুগ্ধতা
সাহিত্য

নির্মলেন্দু গুণ: শব্দে স্বাধীনতা নির্মাণের কবি

বাংলা সাহিত্যে নির্মলেন্দু গুণ এমন এক কণ্ঠস্বর, যিনি শুধু প্রেম কিংবা প্রকৃতির কবি নন, বরং গণমানুষের বেদনা, রাষ্ট্রের সংঘাত, সংগ্রামের দীর্ঘ রেখা ও স্বপ্নের

শতবর্ষের আলোকবর্তিকা: সুফিয়া কামাল—কবিতা, নারী-অধিকার, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রগতিশীল আন্দোলন

বাংলা সাহিত্য ও বাংলাদেশের প্রগতিশীল রাজনৈতিক ইতিহাসের যে স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়গুলো আজও আলো জ্বেলে রাখে, কবি সুফিয়া কামালের জীবন ও কর্ম

প্রফুল্ল রায়: জনমানুষের সাহিত্যের কণ্ঠস্বর

বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক প্রফুল্ল রায় প্রয়াত হয়েছেন। ১৯৩৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর, পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুর জেলার আটপাড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া এই

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-১৭)

হৈরব ও ভৈরব ‘করছ কি করছ কি, তর মাতা বিগরাইছেনি ভৈরব, চিল্লাস ক্যান?’ ভৈরবের চোখ থেকে আগুন ঠিকরে বের হয়,

এই গ্রীষ্মে যে বইগুলো হাতে নিন

জীবনী ও স্মৃতিকথা Buckley — Sam Tanenhaus বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনীতিকে প্রাণ ফিরিয়ে দেন উইলিয়াম বাকলি। বাছবিচারহীন তর্কপ্রিয়তা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-১৬)

হৈরব ও ভৈরব মাঠঘাট চড়বড় ক’রে বাজতে থাকে। হাওয়ার গায়ে এতোক্ষণ যে ভ্যাপসা গরমের ঝাঁঝ লেগে ছিলো ধীরে ধীরে তা

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২০৬)

নজরুল এই বলিয়া খালা-আম্মা কাঁদিতে লাগিলেন। আমি বলিলাম, “খালা-আম্মা। কাঁদবেন না। একদিন সত্য উদঘাটিত হবেই।” খালা-আম্মা আমার হাত ধরিয়া টানিয়া

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-১৫)

হৈরব ও ভৈরব ‘আমারেনি হে কামলা ঠাউরাইছে-‘ ভৈরব আহত গলায় বলে, ‘আমাগোর কুনো ইজ্জত নাই!’ ‘ই-রে, কিনা ইজ্জতখান! আইছে একখান

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-২০৫)

নজরুল আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরূপে দেখিয়া কবি কত সুখী হইলেন। তিনি আমার কানে কানে বলিলেন, “মায়েরা ছেলেদের প্রতি যে স্নেহ-মমতা ধারণ

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-১৪)

হৈরব ও ভৈরব ‘কইকি, বিষয়-সম্পত্তি বেইচ্চালাও-‘ হৈরব বলে, ‘রইছে তো যেমুন এই ভিটিবাড়িটুকুন আর দেড়কানি জমি-‘ ‘লাগলে ট্যাকা লও’ ‘ঘরবাড়ি