০৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
চিনের রাডার লক-এ মার্কিন সমর্থন জাপানের ই-সিএনওয়াই চীনের সামাজিক সুরক্ষা ও ভোগব্যয় কাঠামোকে বদলে দিতে পারে ইউরোপীয় জোটের বিরুদ্ধে ইন্টেল, জারি রইল অ্যান্টিট্রাস্ট জরিমানা ফান্ডিং সংকটে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিভাগ ‘সারভাইভাল মোডে’ আইএমএফ জানালো, চীনের অর্থনৈতিক মডেল বদলাতে হবে — বাড়লো প্রবৃদ্ধি আগে ভেঞ্চার গ্লোবাল এলএনজি–র বিরুদ্ধে শেলের অভিযোগ অকার্যকর, পাল্টা প্রতিশ্রুতি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া মারিয়া করিনা মাচাদো কারো দেখা পেলেন না অস্ট্রেলিয়া–নিউজিল্যান্ডের সেরা ৩০০ গানের তালিকা, আলোচনায় লর্ড থেকে কাইলি অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ‘অফ’, বিপাকে কিশোর ইনফ্লুয়েন্সাররা ট্রাম্পের নবায়নযোগ্যবিরোধী বক্তৃতার মাঝেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রবাতাসের জোয়ার
সাহিত্য

চলছো কি দিগন্তের পথে?

আমি আসলেই যে কোন মুহূর্তে দিগন্ত রেখার সঙ্গে মিলিয়ে যেতে পারি- কোন শেকল, কোন দুর্বাদল কোন মায়াবি ফুল- না কোন অন্ধকার

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৬)

একাদশ পরিচ্ছেদ ‘খেয়াল রাখিস ফোঁদয়া… ছেলেটারে লস্ট করে দিলে ভালো হবে না কিন্তু। আরে, আমার দিকে অমন চোখ পাকিয়ে তাকালে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৫)

একাদশ পরিচ্ছেদ তারপর খুলে রাখতি ভুলে বসেছিল আর কি। অবিশ্যি মালটা ছিল শস্তাগণ্ডার, শান্তির সময় বাজারে ওর দাম রুল পাঁচেকের

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৪)

একাদশ পরিচ্ছেদ যাওয়ার পথে ডানদিকে তাঁর একটা বাঁক নিয়ে আর সারা রাত্তির লম্বা লম্বা পাড়ি দিয়ে আমরা জিখারেভ আমাদের জন্যে

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৩)

একাদশ পরিচ্ছেদ একে একে সব কথা খুলে বললুম কমরেডদের। কী করে শ্বেতরক্ষীদের সঙ্গে আমার দেখা হয়ে গিয়েছিল, কী করে ধরা

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১২)

একাদশ পরিচ্ছেদ নিজের ওপর ফু’সে-ওঠা উন্মত্ত ক্রোধের সঙ্গে চারিদিকের সেই অভিশপ্ত বুক- খাঁখাঁ-করা নৈঃশব্দ্যের প্রতি বিতৃষ্ণা মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছিল

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১১)

একাদশ পরিচ্ছেদ ক্রমে হতাশা টু’টি টিপে ধরল আমার। কোথায় যাব আমি, কোথায় খুঁজব? এক সময় কচি ওক্ বনে-ছাওয়া একটা টিলার

রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১০)

একাদশ পরিচ্ছেদ ওই রাত্রেই, সৈন্যদলের যাত্রা শুরু হবার পর প্রথম পাঁচ মিনিটের বিশ্রামের সময় আমি পালিয়ে গেলুম। সঙ্গে রাখলুম আমার

আহত শিউলি

হেমন্তের শিশিরে শিউলি ফুলগুলো তাদের কমলা ও শাদায় মিশানো শরীর নিয়ে সবুজ দুর্বাদলের ওপর শুয়েছিলো— অথচ তুমি তাদের দিকে না

একটি স্বাধীন কবিতার জন্য

একটা কবিতা লিখবো বহুদিন বহুরাত গত; আহত নিহত যত শব্দ আছে জমা করে রাখি চুলখোলা অন্ধকারে, ধর্ষিতার বিধ্বস্ত উদ্যানে —