রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৫)
একাদশ পরিচ্ছেদ তারপর খুলে রাখতি ভুলে বসেছিল আর কি। অবিশ্যি মালটা ছিল শস্তাগণ্ডার, শান্তির সময় বাজারে ওর দাম রুল পাঁচেকের
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৪)
একাদশ পরিচ্ছেদ যাওয়ার পথে ডানদিকে তাঁর একটা বাঁক নিয়ে আর সারা রাত্তির লম্বা লম্বা পাড়ি দিয়ে আমরা জিখারেভ আমাদের জন্যে
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১৩)
একাদশ পরিচ্ছেদ একে একে সব কথা খুলে বললুম কমরেডদের। কী করে শ্বেতরক্ষীদের সঙ্গে আমার দেখা হয়ে গিয়েছিল, কী করে ধরা
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১২)
একাদশ পরিচ্ছেদ নিজের ওপর ফু’সে-ওঠা উন্মত্ত ক্রোধের সঙ্গে চারিদিকের সেই অভিশপ্ত বুক- খাঁখাঁ-করা নৈঃশব্দ্যের প্রতি বিতৃষ্ণা মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছিল
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১১)
একাদশ পরিচ্ছেদ ক্রমে হতাশা টু’টি টিপে ধরল আমার। কোথায় যাব আমি, কোথায় খুঁজব? এক সময় কচি ওক্ বনে-ছাওয়া একটা টিলার
রণক্ষেত্রে (পর্ব-১১০)
একাদশ পরিচ্ছেদ ওই রাত্রেই, সৈন্যদলের যাত্রা শুরু হবার পর প্রথম পাঁচ মিনিটের বিশ্রামের সময় আমি পালিয়ে গেলুম। সঙ্গে রাখলুম আমার
একটি স্বাধীন কবিতার জন্য
একটা কবিতা লিখবো বহুদিন বহুরাত গত; আহত নিহত যত শব্দ আছে জমা করে রাখি চুলখোলা অন্ধকারে, ধর্ষিতার বিধ্বস্ত উদ্যানে —
ভূতের নৃত্য
কখনও ভর দুপুরে সন্ধ্যা নামে- গভীর হয় অন্ধকার- তখন সবাইকে শিশু হতে হয়- ভূতেরা তখন অনেক নৃত্য দেখায়। ভূতেরা কেন
হাঙ্গেরির ‘প্রলয়ের গুরু’ ক্রাস্নাহরকাই জিতলেন ২০২৫ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার
সারসংক্ষেপ ক্রাস্নাহরকাই ‘মধ্য ইউরোপীয় ঐতিহ্যের এক মহান মহাকাব্যিক লেখক’ বিজয়ী বলেন, তিনি মূলত একটি বইই লেখার পরিকল্পনা করেছিলেন দ্বিতীয় হাঙ্গেরিয়ান




















